অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী প্যালেশের বাগ্‌যুদ্ধ

বিজ্ঞাপন
default-image

এক পরিবারের ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে আবারও সীমান্ত বন্ধ নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়। আর এ নিয়ে এখন বাগ্‌যুদ্ধে জড়িয়েছেন এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেশটির স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।

ঘটনার সূত্রপাত এক মানবিক ইস্যু নিয়ে। ক্যানবেরা রাজ্যের বাসিন্দা পেশাদার নার্স সারাহ ক্যাসিপ তাঁর বাবার মৃত্যুকালে পাশে থাকার জন্য ছুটে যান কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের রাজধানী ব্রিসবেনে। করোনাকালে সীমান্ত বন্ধ থাকায় বিশেষ কাজের অংশ হিসেবে তাঁকে ব্রিসবেনে প্রবেশের অনুমতি দিলেও পাঠানো হয় বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের হোটেল কোয়ারেন্টিনে। কিন্তু সারাহ তার বিষয়টি অতিমানবিক হিসেবে বিশেষ আবেদন করলেও তাঁকে এ কোয়ারেন্টিন থেকে অব্যাহতি দেয়নি রাজ্য সরকার। ফলে মৃত্যু শয্যায় থাকা বাবার কাছে তাঁর আর যাওয়া হয়নি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরবর্তীতে তাঁর বাবা মারা গেলে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের আবেদন করলে সেটিও প্রথমে না-মঞ্জুর করে রাজ্য সরকার।

এ নিয়ে দেশজুড়ে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় তুমুল হইচই। পরে ১১ বছরের সন্তান বাদে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক পোশাক পরিধান করে বাবার লাশ দেখার অনুমতি পান সারাহ। এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তিনি খানিকটা চটেছেনও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনা দেশটির চলমান রাজ্য সীমান্ত বন্ধ নিয়ে বিরোধের ফল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শনিবার সারাহ ক্যাসিপের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অ্যানাস্তেসিয়া প্যালেশের সঙ্গে ফোনালাপ করেন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। এ সময় মরিসনের সঙ্গে কিছু বাগ্‌বিতণ্ডায় জরান কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের এই মুখ্যমন্ত্রী। অ্যানাস্তেসিয়া প্যালেশ এ ঘটনার দায় কুইন্সল্যান্ডের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জ্যানেট ইয়ং এর ওপর চাপান।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, করোনাভাইরাসের দায় দেখিয়ে দলীয় রাজনীতির আড়ালে দেশটির এক রাজ্যের সঙ্গে অন্য রাজ্যের সঙ্গে মতবিরোধ চলছেই। সে মতবিরোধ এখন কেন্দ্রীয় সরকার পর্যন্ত গড়িয়েছে। গত সপ্তাহে মরিসনের ডিসেম্বরে সকল সীমান্ত খুলে দেওয়ার পরিকল্পনায় সরাসরি অমত প্রকাশ করেছেন ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মার্ক ম্যাকগোয়েন আর নিমরাজি ছিলেন কুইন্সল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী অ্যানাস্তেসিয়া প্যালেশ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন