অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে করোনা শনাক্তে রেকর্ড

অস্ট্রেলিয়ায় করোনার টিকা নিতে মানুষের লম্বা লাইন
ফাইল ছবি: রয়টার্স

করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৯০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে আজ সোমবার জানানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আসছে অক্টোবরে রাজ্যটির হাসপাতালগুলোতে সর্বোচ্চসংখ্যক রোগীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।

নিউ সাউথ ওয়েলসের হাসপাতালগুলোতে বেড়েই চলেছে করোনা রোগী। বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যটির প্রিমিয়ার গ্লাডিস বেরেজিকলিয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি, অক্টোবরে আমাদের আইসিইউগুলোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হবে। আমরা মহামারির মাঝামাঝি সময়ে রয়েছি। এ কারণে আমাদের সবকিছু ভিন্নভাবে দেখভাল করতে হবে। তবে আমরা সব সামলে নিতে পারব।’

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলসের হাসপাতালগুলোতে ৮৪০ জন করোনা রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আইসিইউতে ১৩৭ জন এবং ভেন্টিলেশনে ৪৮ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৩। নিউ সাউথ ওয়েলসের ১ হাজার ২৯০ জনকে নিয়ে শেষ এক দিনে দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৫ জন। এই সংখ্যাও এখন পর্যন্ত দেশটিতে রেকর্ড।

এদিকে করোনা সংক্রমণ রোধে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে চলছে লকডাউন। পরিস্থিতি তুলনামূলক খারাপ হওয়ায় ভিক্টোরিয়া রাজ্যের মেলবোর্ন শহরে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। চার সপ্তাহ ধরে সেখানকার বাসিন্দারা বিধিনিষেধের আওতায় রয়েছেন। লকডাউন চলছে নিউ সাউথ ওয়েলসেও।

পরিস্থিতি যখন সংকটময়, তখন টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার দিকে নজর দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। গত সাত দিনে গড়ে ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি ডোজ করে টিকা দেওয়া হয়েছে। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এই পরিমাণ অনেক বেশি।

শটিতে এখন পর্যন্ত ১৬ বছরের বেশি বয়সের ৩৩ শতাংশ মানুষ করোনার টিকার দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন।