লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের হত্যাকাণ্ড বিদেশি গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে স্থান পেয়েছে। এপি, এএফপির মতো উল্লেখযোগ্য বার্তা সংস্থা ছাড়াও গার্ডিয়ান, হাফিংটন পোস্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম হত্যাকাণ্ড নিয়ে সংবাদ প্রচার করেছে।
হাফিংটন পোস্টের খবরের শিরোনাম ‘যুক্তরাষ্ট্রের ব্লগার অভিজিৎ রায় বাংলাদেশে খুন, খুনিদের আঘাতে স্ত্রীও আহত’। সংবাদে বলা হয়, রাজধানী ঢাকায় মার্কিন ব্লগার ও মৌলবাদবিরোধী লেখক অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করেছে অজ্ঞাত হামলাকারীরা।
রাতে গ্রন্থমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অভিজিৎ হামলার শিকার হন। হামলায় তাঁর স্ত্রী রাফিদা আহমেদ গুরুতর আহত হয়েছেন।
ওই খবরে জানানো হয়, রায় ‘মুক্তমনা’ নামের বাংলার ব্লগ লিখতেন। ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে লেখার জন্য এর আগে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। কোনো পক্ষ তাঁর হত্যার দায়ভার নেয়নি।
‘মার্কিন নাস্তিক ব্লগারকে বাংলাদেশে কুপিয়ে হত্যা’ শিরোনামে করা গার্ডিয়ানের খবরে জানানো হয়, মুক্তমনা ব্লগের উদারপন্থী ধর্মনিরপেক্ষ লেখক অভিজিৎ রায় ও তাঁর স্ত্রীর ওপর হামলা করা হয়েছে।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিখ্যাত মার্কিন এ ব্লগারকে অজ্ঞাত হামলাকারীরা কুপিয়ে হত্যা করে। নাস্তিক এ লেখকের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ইসলামি উগ্রপন্থীদের কাছ থেকে তিনি অনেক হুমকি পেয়েছিলেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে জানানো হয়, রিকশায় করে গ্রন্থমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে দুই হামলাকারী তাঁদের রিকশার গতিরোধ করে। এরপর অভিজিৎ রায় ও তাঁর স্ত্রীকে টেনে ফুটপাতে নিয়ে গিয়ে ধারালো চাপাতি কুপিয়ে হত্যা করে।
দীর্ঘ দিন ধরে উগ্রপন্থীরা নাস্তিক ব্লগারদের প্রকাশ্যে হত্যার দাবি করে আসছে। ইসলামের সমালোচনা করে লেখা বন্ধ করতে নতুন আইনের দাবি করে আসছে বলে এএফপির খবরে জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন