বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেশির ভাগ দেশই করোনা মহামারির সবচেয়ে খারাপ সময়টা পেছনে ফেলে এসেছে বলে আশা করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এর পেছনে টিকাদান এবং করোনা রোধে বিধিনিষেধের পদক্ষেপগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। তবে শীতকালে সংক্রমণ আবারও প্রকট আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া আসন্ন ছুটির দিনগুলোতে জনসমাবেশে পরিস্থিতি খারাপ হবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারি বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কারখোভের মতে, বর্তমান সময় থেকে ২০২২ সালের শেষের দিকে করোনার ওপর নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। এ সময়ের মধ্যে করোনায় সংক্রমণের পর মারাত্মক শারীরিক জটিলতা ও মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এদিকে টিকার পাশাপাশি করোনার চিকিৎসারও উন্নতি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার প্রথম দেশ হিসেবে করোনা চিকিৎসায় মুখে খাওয়া মলনুপিরাভির ট্যাবলেটের অনুমোদন দিয়েছে ব্রিটেন। এর আগে এক নিরীক্ষায় দেখা গেছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর প্রথম দিকে মলনুপিরাভির ট্যাবলেট গ্রহণ করলে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর ঝুঁকি বহুলাংশে কমায়।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার গত ১৫ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন দেখেছে জাপান। তবে বিশ্বের ২৫০টি দেশের ৫৫টি দেশে করোনার সংক্রমণ আবার বাড়ছে। এর মধ্যে ইউরোপের দেশ রাশিয়া, ইউক্রেন ও গ্রিসের অবস্থা বেশ খারাপ। নতুনভাবে শুরু হওয়া সংক্রমণের অর্ধেকের বেশি ইউরোপের দেশগুলোতে হচ্ছে বলে দেখা গেছে।

এদিকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষ করোনার টিকার কমপক্ষে একটি ডোজ নিয়েছেন। তবে এসব টিকার বেশির ভাগই পেয়েছে ধনী দেশগুলো। নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে টিকাদানের হার ৫–এর কম।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন