বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
আমরা নিশ্চিত জানি যে শিশুদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে। অ্যান্টিবডি রক্ত পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের বয়স্ক ব্যক্তিদের তুলনায় ভাইরাসের সংক্রমণ কম হয়। ১২ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ভাইরাস সংক্রমণ হওয়ার হার কম
রাসেল ভাইনার, রয়্যাল কলেজ অব পেডিয়াট্রিকস অ্যান্ড চাইল্ড হেলথের প্রেসিডেন্ট

ভাইনার বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত জানি যে শিশুদের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে। অ্যান্টিবডি রক্ত পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের বয়স্ক ব্যক্তিদের তুলনায় ভাইরাসের সংক্রমণ কম হয়। ১২ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে ভাইরাস সংক্রমণ হওয়ার হার কম। বিজ্ঞানীরা খুব আত্মবিশ্বাসী যে শিশুদের সংক্রমণ হলেও বড়দের তুলনায় অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা কম। অনেকের কোনো উপসর্গই দেখা যায় না। গতকাল শুক্রবার প্রকাশিত যুক্তরাজ্যের এক গবেষণার ফল তা নিশ্চিত করেছে। প্রথম দুটি প্রশ্নের উত্তর মিললেও তৃতীয় প্রশ্ন, অর্থাৎ শিশুদের মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে কি না, সে বিষয়ে খুব কম তথ্য ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষকেরা সে প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার ওই গবেষণা ৯১টি শিশুর ওপর করা হয়। এর মধ্যে মৃদু উপসর্গ বা একেবারেই উপসর্গ না থাকা শিশুও রয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের তিন সপ্তাহ পরও নাকে ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। গবেষকেরা বলছেন, নাকে শনাক্তযোগ্য ভাইরাসের উপস্থিতি প্রমাণ করে তারা এটি ছড়াতে সক্ষম। গবেষণাটি শিশুদের কাছ থেকে করোনাভাইরাস ছড়ানোর নতুন তথ্য হাজির করেছে।

এ গবেষণার কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে। শিশুর নাকে ভাইরাস থাকার অর্থ এই নয় যে তারা বয়স্ক ব্যক্তিদের মতো হারে এটি ছড়াবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের চিলড্রেনস ন্যাশনাল হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান রবার্তা দিবায়াসি বলেন, শিশুরা ভাইরাস বহন করতে পারে। তাই তারা যে এটা ছড়াবে না, তা ভাবা অযৌক্তিক।

অধ্যাপক ভাইনার বলেছেন, স্কুল বন্ধ রাখা নিরপেক্ষ নয়, বরং এর নিজস্ব ঝুঁকি রয়েছে। এতে শিশুর উন্নয়ন, শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়। তবে শিশুর কতটা ঝুঁকি বহন করে, তা সঠিকভাবে নিরূপণ করা উন্মুক্ত প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে ভাইরাসের বিস্তার রোধে এ প্রশ্নের উত্তর জানা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন