default-image

তাঁরা দাপুটে শাসক। দাপট দিয়ে সবকিছু করেন বা করতে চান। কিন্তু করোনার সঙ্গে তো আর চোটপাট চলে না। তাই বিশ্বের বেশ কিছু দাপুটে শাসক করোনা মোকাবিলায় সুবিধা করতে পারছেন না। বিশ্লেষকেরা এমনটাই বলছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

এমন নেতাদের সম্পর্কে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ উমা কুম্ভপতি বলেন, এসব নেতার নেতৃত্বের আচরণও একই রকম। আর তা হলো ‘মাচো’ নেতৃত্ব।

উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ উমা উদাহরণ হিসেবে দুজন প্রতাপশালী নেতার নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁরা হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বিজ্ঞাপন

উমা বলেন, করোনা সংকটের শুরুর দিকে এই নেতাদের সরব উপস্থিতি ছিল। কিন্তু তাঁরা এখন কোভিড ইস্যু এড়িয়ে চলছেন। তিনি বলেন, শুরুর দিকে তাঁরা অন্যকে দোষারোপ করতে পারতেন। কিন্তু এখন তা পারবেন না। এই পরিস্থিতি তাঁদের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হম্বিতম্বির শেষ নেই। কিন্তু করোনা মোকাবিলায় তিনি পুরোপুরি ব্যর্থ। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রথম।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পরই আছে মোদির ভারত। তারপর আছে ব্রাজিল ও রাশিয়া।

বিজ্ঞাপন

করোনার উৎপত্তিস্থল চীন। দেশটি করোনা মোকাবিলায় সাফল্য দাবি করে আসছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে করোনার ক্ষতির প্রকৃত চিত্র গোপনের অভিযোগ আছে। দেশটিতে করোনা মোকাবিলা নিয়ে যাঁরা মুখ খুলেছেন, তাঁদের শায়েস্তা করা হয়েছে।

করোনা সংকটে ফিলিপাইন, মিসরের মতো দেশেও একই পরিস্থিতি লক্ষণীয়।

সুইজারল্যান্ডের সেন্টার ফর সিকিউরিটি স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক বেনো জগের মতে, পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা দেখাতে চান, তাঁরা গণতান্ত্রিক দেশের চেয়ে ভালোভাবে সংকট মোকাবিলা করতে পারেন।

তা ছাড়া কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা সমাজ ও তথ্য নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে আসল চিত্র বাইরে আসে না।

মন্তব্য পড়ুন 0