default-image

প্রিয় পোষা কুকুর মেজরকে নিয়ে বেশ ভালোই বিপাকে পড়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কিছুতেই হোয়াইট হাউসের জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছে না জার্মান শেফার্ড জাতের কুকুরটি। তাই এবার তাকে পাঠানো হচ্ছে ‘বিদ্যালয়ে’। সেখানে সে প্রেসিডেন্টের পোষা কুকুরের মতো আচরণ শিখবে।

জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন গত ২০ জানুয়ারি। এর আগপর্যন্ত ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যে বাইডেন দম্পতির বাসাই ছিল তিন বছর বয়সী মেজরের ঠিকানা। সেখানে এ দম্পতির অপর পোষা কুকুর চ্যাম্পের সঙ্গে খেলাধুলা করে দিন পার হতো মেজরের। চ্যাম্পের বয়স এখন ১২ বছর।

জো বাইডেন শপথ নেওয়ার পর তিনি ও তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে মেজর ও চ্যাম্পও হোয়াইট হাউসে বসতি গাড়ে। কিন্তু কুকুর দুটি হোয়াইট হাউসের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি। এত এত মানুষ আর প্রটোকলের কারণে মেজরের তো মেজাজই বিগড়ে যায়। একদিন কামড়ে দেয় এক কর্মীকে। ফলে কুকুর দুটিকে আবারও ডেলাওয়ারে বাইডেনের বাড়িতে পাঠানো হয়। ব্যবস্থা করা হয় প্রশিক্ষণের।

প্রশিক্ষণ শেষে কয়েক সপ্তাহ আগেই হোয়াইট হাউসে ফিরেছে মেজর ও চ্যাম্প। এর মধ্যেই আবার এক কর্মীকে কামড়ে দিয়েছে মেজর। আর এ কারণেই তাকে এবার পাঠানো হবে প্রশিক্ষণ স্কুলে। তবে চ্যাম্প থাকবে হোয়াইট হাউসে। মেজরের কাণ্ডের কারণে আগেরবারের মতো এবার আর তাকে নির্বাসিত হতে হবে না।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের মুখপাত্র মিশেল লারোজা বলেন, মেজরকে অতিরিক্ত আরও কিছু প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে সে হোয়াইট হাউসের জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া শিখবে। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ স্কুলটি ওয়াশিংটন ডিসিতেই। কয়েক সপ্তাহ চলবে এ প্রশিক্ষণ।

অবশ্য এর আগে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছিলেন, মেজর মোটেই দুষ্টু প্রকৃতির কুকুর নয়, একটু রক্ষণশীল—এই যা। গত মার্চে এবিসি নিউজকে তিনি বলেন, জনাকীর্ণ হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণের সঙ্গে মেজর মানিয়ে নিতে পারছে না, তার মাথা বিগড়েছে। কারণ, সে যেখানেই যাচ্ছে, সেখানেই মানুষ দেখতে পাচ্ছে। আগে তো এমনটা ছিল না।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন