বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, কানাডার পার্লামেন্টে ৩৩৮টি আসনে ভোটার ২ কোটি ৭০ লাখ। এককভাবে সরকার গঠনে যেকোনো দলকে কমপক্ষে ১৭০টি আসনে জয় নিশ্চিত করতে হবে। গত মাসে নির্বাচনের ডাক দেন জাস্টিন ট্রুডো। মূলত, বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরোধীদের ঠেকাতেই এমন নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। কারণ, বর্তমান সরকারে ট্রুডোর সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার পরিচালনা করতে গিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে এবারও হয়তো একই পরিস্থিতিতে পড়তে চলেছেন তিনি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ট্রুডোর লিবারেল পার্টির বিরুদ্ধে আছে কনজারভেটিভ পার্টি। এই রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এরিন ও’টুলে এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন যে প্রধান বিরোধী নেতা হিসেবে তিনি থাকতে চান এবং তিনি ট্রুডোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত। আনুষ্ঠানিকভাবে জয়ী ঘোষিত হলে তৃতীয়বারের মতো কানাডার প্রধানমন্ত্রী হবেন ৪৯ বছর বয়সী জাস্টিন।

অথচ ২০১৫ সালে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন জাস্টিন ট্রুডো। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, অভিযোগ আছে যে গত ছয় বছরে তাঁর সরকারের কাজকর্মে কিছুটা নিষ্ক্রিয় ভাব লক্ষ করা গেছে। এ কারণে লিবারেল পার্টির ওপর ভোটারদের আস্থা ধরে রাখো বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এবারের এই মধ্যবর্তী নির্বাচন উপলক্ষে হওয়া প্রচারাভিযানে সব মিলিয়ে ৬১০ মিলিয়ন কানাডীয় ডলার খরচ হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

এদিকে আজ মঙ্গলবার জাস্টিন ট্রুডো সমর্থকদের উদ্দেশে মন্ট্রিলে বলেছেন, ‘কয়েক বছর ধরে আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমরা অনেক এগিয়েছি। আসুন, অতীতের অন্ধকারময় দিনগুলো ভুলে না যাই। আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে হবে। চলুন, সবাই একসঙ্গে কাজ করি।’ এ সময় কানাডায় ‘নতুন দিন’ আনার প্রতিশ্রুতি দেন ট্রুডো।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন