বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৈঠক শেষে ওই কমিটির প্যানেল চেয়ার ও জাতিসংঘে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আনা কারিন অ্যানেস্ট্রম বলেন, আপাতত আফগানিস্তানের তালেবান ও মিয়ানমারের সামরিক জান্তার প্রতিনিধিদের জাতিসংঘে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তবে জাতিসংঘে আগের সরকারের রাষ্ট্রদূতেরাই আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন কি না—এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি আনা কারিন।

চলতি বছর নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় বসে তালেবান ও মিয়ানমারে ক্ষমতায় বসে জান্তা। এরপর এই দুই সরকারের পক্ষ থেকে নতুন প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হয় এবং আগের সরকারের প্রতিনিধির নিয়োগ বাতিল করা হয়। জাতিসংঘ নতুন প্রতিনিধিদের স্বীকৃতি দিলে তালেবান ও জান্তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তা হতে দিল না জাতিসংঘ। যদিও ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তালেবান ও মিয়ানমারের জান্তা সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জাতিসংঘের ক্রেডেনশিয়াল কমিটির সদস্যদেশের সংখ্যা ৯। এর মধ্যে রাশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে। বর্তমানে এই কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছে সুইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এই বৈঠকে বসেছিল। যেখানে জাতিসংঘের বর্তমান ৭৬তম অধিবেশনে ১৯৩ সদস্যরাষ্ট্রের সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা করা হয়।

জাতিসংঘের বেশ কয়েকজন কূটনীতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে অবশ্য আগেই এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তাঁরা বলেছিলেন, কমিটি আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়সীমা আরও পিছিয়ে দিতে পারে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন