বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অ্যামনেস্টির প্রধান অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, ‘কয়েক শ কোটি ডোজ টিকা তৈরি ও তা সরবরাহ করার জন্য প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মতো নেতাদের প্রয়োজন আমাদের। অন্যথায় তা হবে শুধুই আরেকটি ফাঁকা বুলি এবং মানুষও করোনায় মরতে থাকবে অব্যাহতভাবে।’

মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, বিশ্বের আরও বেশিসংখ্যক দেশ যাতে করোনার টিকা পায়, তা নিশ্চিত করতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা, বায়োএনটেক, জনসন অ্যান্ড জনসন, মডার্না, নোভাভ্যাক্স ও ফাইজার—সবাই টিকার ডোজ বা প্রযুক্তির বিনিময় প্রত্যাখ্যান করেছে।

অ্যামনেস্টি বলেছে, বিশ্বের ধনী দেশগুলোর বেশির ভাগ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অংশে টিকার সংকট চলছে। একই সঙ্গে দেশগুলো প্রতি সপ্তাহে হাজারো মানুষের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সংকটের মধ্যে পড়ে আছে।

সংস্থাটির ভাষ্যমতে, এখন পর্যন্ত যে ৫৭৬ কোটি (৫.৭৬ বিলিয়ন) ডোজ টিকার উৎপাদন হয়েছে, তার মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ গেছে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে। আর ৭৯ শতাংশই গেছে উচ্চমধ্যম বা উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে।

ইতিপূর্বে অ্যামনেস্টিকে পাঠানো চিঠিতে টিকা উৎপাদনকারী সব প্রতিষ্ঠান মানবাধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিল। প্রতিবেদনে সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, টিকা নিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম ওই প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জনসন অ্যান্ড জনসন তাদের টিকা উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে।

অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন দেশ ও ওষুধ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে তাদের কার্যক্রমে নাটকীয় পরিবর্তন আনার এবং নিম্ন ও নিম্নমধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ২০০ কোটি ডোজ টিকা সরবরাহে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘মুনাফা অর্জনের বিষয়টি কখনো জীবনের চেয়ে বড় হতে পারে না। কাউকে আরেকটি বছর দুর্দশা ও আতঙ্কের মধ্যে কাটাতে দেওয়া উচিত নয়।’

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন