বিজ্ঞাপন

৭ জুলাই মধ্যরাতে বন্দুকধারীরা প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসির ব্যক্তিগত বাসভবনে ঢুকে গুলি করে তাঁকে হত্যা করে। হামলায় তাঁর স্ত্রী মার্টিন গুরুতর আহত হন। আহত মার্টিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাইতির এক কর্মকর্তা টুইট করে জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে জোভেনেলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। এই শেষকৃত্যের প্রস্তুতির পাশাপাশি তাতে অংশ নিতে দেশে ফিরেছেন মার্টিন।

হাইতির কর্মকর্তারা গত শুক্রবার জানান, জোভেনেলের শেষকৃত্য ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। হাইতির ঐতিহাসিক শহর ক্যাপ-হাইতিয়েনে এ শেষকৃত্য হবে।

হাইতির পুলিশের ভাষ্য, জোভেনেল হত্যায় ২৮ জন ভাড়াটে ব্যক্তি অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ২৬ জন কলম্বিয়ার নাগরিক। আর ২ জন হাইতির বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। এ দলের ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৩ জন পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে নিহত হয়েছে। আর ৫ জন পলাতক।

হামলার ঘটনা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেকর্ড করা অডিও বার্তা দিয়েছিলেন মার্টিন। বার্তায় তিনি জানান, মধ্যরাতে চোখের পলকের মধ্যে ভাড়াটে হত্যাকারীরা তাঁদের বাড়িতে ঢোকে। তারা গুলি করে তাঁর স্বামীকে ঝাঁজরা করে দেয়।

অডিও বার্তায় মার্টিন বলেছিলেন, এ হামলা এত দ্রুত ঘটে যে তাঁর স্বামী জোভেনেল একটা কথা পর্যন্ত বলার সুযোগ পাননি। তিনি ইঙ্গিত দেন যে রাজনৈতিক কারণে তাঁর স্বামীকে নিশানা করা হয়েছে।

জোভেনেল হত্যার অনেক দিকই নিয়েই রহস্য রয়ে গেছে। এ হত্যার একজন প্রত্যক্ষদর্শী তাঁর স্ত্রী মার্টিন। তাই তিনি হত্যার তদন্তে সহায়তা করতে পারেন।

জোভেনেল ২০১৭ সাল থেকে হাইতির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি নিহত হওয়ার পর হাইতির সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী জোসেফ।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন