বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পশ্চিমাদের হুঁশিয়ারি

প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে খুশি করতে কিছু কিছু পশ্চিমা দেশ ‘শেয়ালের মতো আচরণ’ করছে।
‘আমরা সম্পর্ক নষ্ট করতে চাই না। কিন্তু কেউ যদি আমাদের শুভ চিন্তাকে দুর্বলতা মনে করে তাহলে আমাদের পাল্টা পদক্ষেপ হবে বহুগুণে বেশি, দ্রুত ও কঠোর। প্রতিটি ক্ষেত্রে শেষ সীমা (রেড লাইন) কোথায় তা আমরা নির্ধারণ করব।’

default-image


রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ এলাকাগুলোর কাছাকাছি এক লাখের বেশি সৈন্য সমাবেশ করেছে বলে খবর প্রকাশের পর এ নিয়ে উত্তেজনা বেড়েছে। এসব সৈন্যদের একটি বড় অংশ রয়েছে ক্রিমিয়ায়। এই উপত্যকাকে ২০১৪ সালের মার্চে ইউক্রেন থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় রাশিয়া।


গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ক্রেমলিনের বিরুদ্ধে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগ তুলে রাশিয়ার ১০ জন কূটনীতিককে বহিষ্কার করে।
হুঁশিয়ারি দিয়ে পুতিন বলেন, ‘রাশিয়ার বিরুদ্ধে উসকানির সংগঠকেরা এমনভাবে অনুতপ্ত হবেন, যা তাঁরা আগে কখনো হয়নি।’

কোভিড মোকাবিলা

পুতিনের ভাষণের প্রথম অংশে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপের ওপর আলোকপাত করা হয়। মহামারি মোকাবিলায় দেশের কোটি কোটি মানুষের সামাজিক সংহতির প্রশংসা করেন তিনি।

default-image


প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষায় টিকা গ্রহণ সবচেয়ে জরুরি বলে মন্তব্য করেন পুতিন। রাশিয়ার সব নাগরিকের প্রতি টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এই মহামারিকালে পুতিন মূলত রাজধানী মস্কো সংলগ্ন তাঁর একটি বাসভবনে ছিলেন। এই ভাষণের মধ্য দিয়ে অনেক দিন পর প্রকাশ্য হলেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন