বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাদুঘরটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কেন্দ্রীয় শক্তির অংশ অটোমান বাহিনী ও মিত্র বাহিনীর মধ্যেকার প্রবল যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বিশ্বযুদ্ধ শুরুর পর গোড়ার দিকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বাহিনী প্রবল আক্রমণ করে কেন্দ্রীয় শক্তির বিরুদ্ধে। অটোমান ও জার্মান বাহিনী সেই আক্রমণ ঠেকিয়ে দেয়।

আধুনিক তুরস্কে অটোমানদের সেই প্রতিরোধকে গভীর মর্যাদার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। ওই যুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। দেশটির ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যের এইচএমএস ম্যাজেস্টিক যুদ্ধজাহাজ ডুবে যায়। সেই যুদ্ধের ১০৬ বছর পর উদ্বোধন করা হলো ‘দ্য গ্যালিপোলি হিস্টোরিক আন্ডারওয়াটার পার্ক’ নামের পানির নিচের জাদুঘরটি।

গত শনিবার উদ্বোধনের পর তুরস্কের আলোকচিত্রী সাবাস কারাকাস সমুদ্রতলের জাদুঘরটি দেখতে যান। সেখানে তিনি বলেন, এ জাদুঘর তাঁকে তাঁর দাদার কথা মনে করিয়ে দেয়। তাঁর দাদা ১৯১৫ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে গ্যালিপোলিতে লড়াই করেছিলেন। ইস্তাম্বুলের বাসিন্দা কারাকাস বলেন, ‘আমার দাদার হাত পুড়ে বিকৃত হয়ে গিয়েছিল। আমি সব সময় তা দেখে ভয় পেতাম। কিন্তু আমি যখন গ্যালিপোলিতে আসি এবং পানির নিচে ডুব দিই, তখন মরিচা পড়া ধাতব খণ্ডগুলো এবং ইস্পাতের ধ্বংসাবশেষ আমাকে দাদার হাতের কথা মনে করিয়ে দেয়। মনে হয়, পানির নিচে আমি তাঁর হাত ধরেছি।’

ইস্তাম্বুলের আরেক আলোকচিত্রী আলি এথমে কেসকিন বলেন, ‘আমরা ভাগ্যবান প্রজন্ম। কারণ, এখনো আমরা ওই নিদর্শনগুলো দেখতে পাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি যখন ডাইভিং শুরু করি, আমি যুদ্ধের চাপ টের পাই। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সেই ভয় ও আতঙ্কে ছাওয়া মুহূর্তগুলো যেন আমি অনুভব করতে পারি।’

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন