default-image

পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে আজ রোববার উড়ে যাবে বিশাল আকৃতির গ্রহাণু ‘২০০১ এফও ৩২ ’। গবেষকেরা মনে করছেন, আমাদের সৌরজগৎ সৃষ্টির গোড়ার দিকে সৃষ্ট মহাকাশের এ পাথরখণ্ড জ্যোতির্বিদদের এ বিষয়ে জানার দুর্লভ এক সুযোগ দেবে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জ্যোতির্বিদরা বলছেন, তাঁদের হিসাবে ওই গ্রহাণুটি পৃথিবীর খুব কাছাকাছি এলেও তা পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা কম। আগামী কয়েক শ বছরেও এ আশঙ্কা নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা আশ্বস্ত করে বলেছেন, ‘২০০১ এফও ৩২’ নামের গ্রহাণুটি নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এটি ২১ মার্চ নিরাপদ দূরত্বে থেকেই পৃথিবীকে অতিক্রম করবে।

বিজ্ঞাপন

নাসার গবেষকেরা বলছেন, পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের প্রায় ৫ দশমিক ২৫ গুণ দূর দিয়ে যাবে গ্রহাণুটি।

default-image

নাসার সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজের পরিচালক পল চোডাস বলেন, ‘আমরা গ্রহাণুটির পরিভ্রমণের পথ নিখুঁতভাবে জানি।’

নাসা বলছে, ২০০১ এফও ৩২ নামের গ্রহাণুটি ঘণ্টায় ১ লাখ ২৪ হাজার কিলোমিটার গতিতে পৃথিবীকে অতিক্রম করবে। পৃথিবীতে আঘাত হানা অধিকাংশ উল্কাপিণ্ডের চেয়ে এটি বেশি গতিতে পৃথিবীকে অতিক্রম করবে।

নাসার জেপিএলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রহাণুটি ২০০১ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। গবেষকেরা দুই দশক ধরে এর অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেন। তবে গ্রহাণুটি বিশাল আকারের কারণে সবার নজর কেড়েছে। এটির ব্যাস প্রায় এক মাইল।

গবেষকেরা ওই গ্রহাণুপৃষ্ঠ থেকে বের হওয়া আলোর প্রতিফলন বিশ্লেষণ করে এর গঠন সম্পর্কে ধারণা বের করার আশা করছেন।

নাসার গবেষকেরা বলছেন, ‘সূর্যরশ্মি যখন গ্রহাণুপৃষ্ঠে পড়ে, তখন ওই গ্রহাণুর খনিজ কিছু তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করে এবং কিছুর প্রতিফলন ঘটায়। ওই প্রতিফলিত আলোকরশ্মি বিশ্লেষণ করে ওই খনিজের রাসায়নিক গঠন নির্ণয় করতে পারেন।

প্যারিস অবজারভেটরির তথ্য অনুযায়ী, আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার দিকে (জিএমটি ১৬০০) গ্রহাণুটি পৃথিবীকে অতিক্রম করবে। ২০৫১ সালে এটি আবার পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে।

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন