জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন, জলবায়ু পরিবর্তনের অস্তিত্বগত হুমকি, জমির ক্ষয় রোধ, খাদ্যনিরাপত্তা তৈরি ও উন্নততর মানবস্বাস্থ্যের সহায়তার জন্য জীববৈচিত্র্য গুরুত্বপূর্ণ।

সবাইকে সতর্ক করে জাতিসংঘ প্রধান বলেন, মানুষের কর্মকাণ্ডের জন্য ভূমির ১ তৃতীয়াংশ এবং জলজ সম্পদের ৬৬ শতাংশ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, সবুজ ও একীভূত উন্নতির জন্য জীববৈচিত্র্য দরকার। এ বছর সরকারগুলো বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য কাঠামো নিয়ে ঐক্যমত্যে আসতে মিলিত হবেন। এ কাঠামোর মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে স্বচ্ছ ও পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য পূরণ সম্ভব হবে।

এ প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এই কাঠামোকে অবশ্যই জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির পেছনে দায়ীদের ঠেকাতে সক্ষম হতে হবে। বিশ্বের আরও বেশি ভূমিকে ঠিকভাবে রক্ষা করে প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চাভিলাষী ও রূপান্তরমূলক পরিবর্তন করতে হবে। এ ছাড়াও তিনি বিবৃতিতে সুপেয় পানি ও সমুদ্রকে রক্ষা, টেকসই উৎপাদন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান দেওয়া এবং পরিবেশের ক্ষতিকারী ভর্তুকি বন্ধ করার কথাও বলেন।

গুতেরেস বলেন, ‘আমরা এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করব এবং প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য ২০৫০ সালের ভিশন বাস্তবায়ন করব।’ এ ছাড়াও তিনি ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কথা বলেন। বিশেষ কারে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি, যাদের অনেকেরই বাস এমন জায়গায়, যেখানে জীববৈচিত্র্যের অভাব নেই।

জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করতেই জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস চালু করেছে বলে উল্লেখ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন