বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নেতৃস্থানীয় একজন গবেষক ফ্রেডরিকে অটো এ বছরের শুরুতে টুইট করেন, মানুষের নানা কর্মকাণ্ডে বিশ্বে তাপপ্রবাহ বাড়ছে। ভবিষ্যতে এ সংকট আরও তীব্র হবে। জলবায়ু পরিবর্তন যে ঝড় ও ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত, দিনে দিনে আরও বেশি করে তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।

আগস্টে ইন্টারগভর্নরমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি) জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে তাদের ষষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদনের প্রথম অংশ প্রকাশ করেছিল। আইপিসিসির ওই মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর মাত্র কয়েক সপ্তাহের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আইডা আঘাত হানে।

ক্রিশ্চিয়ান এইডের মতে, আইডার কারণে অর্থনীতিতে চরম ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে। ঘূর্ণিঝড় আইডার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঙ্গরাজ্য ও শহরে ব্যাপক বৃষ্টি হয়। নিউইয়র্কে বন্যা নিয়ে প্রথমবারের মতো জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড় আইডার আঘাতে প্রাণ হারান প্রায় ৯৫ জন এবং আনুমানিক ৬ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গত জুলাইয়ে জার্মানি, ফ্রান্স ও ইউরোপের অন্য দেশগুলোর বন্যা ছিল বছরের দ্বিতীয় সবচেয়ে আর্থিক ব্যয়বহুল ঘটনা। বন্যায় ২৪০ জন প্রাণ হারায়, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।

ক্রিশ্চিয়ান এইডের গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে এ বছর চরম প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা ঘটেছে। গবেষণা প্রতিবেদনে আরও অনেক ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এসব ঘটনায় আর্থিক প্রভাব নির্ণয় করা কঠিন।
মে মাসে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় তকতের কারণে আট লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। দুই লাখ মানুষ ঘূর্ণিঝড় থেকে বাঁচতে অন্যত্র আশ্রয় নেয়।

গবেষণা প্রতিবেদনের লেখক ক্রিশ্চিয়ান এইডের ক্যাট ক্র্যামার জানান, এটা মানুষের ওপর একটা বড় ধরনের প্রভাব। তিনি আরও জানান, বাড়িঘর, জীবিকা ও সবকিছু হারানো এবং সেটা নতুন করে তা গড়ে তোলার মতো সংস্থান না থাকা কঠিন। যদি মানুষের বিমা থাকত তাহলে এ বিপর্যয় থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য কিছু ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু উন্নত দেশগুলোর বাইরে সেই সুযোগও নেই।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন