বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হামলেহ-এর প্রতিষ্ঠাতা নাদিম নাশিফ বলেছেন, ‘আমরা এটিকে ফিলিস্তিনি বাক্‌স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসেবে মনে করি। এটা ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়ন ও দুর্ভোগের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।’

এ বিষয়ে ফেসবুকের মতামত জানতে চাইলে তারা ওই পদক্ষেপ স্বাধীন ওভারসাইট বোর্ডের কাজ বলে জানিয়েছে। সম্ভাব্য পক্ষপাত নিয়ে আরবি ও হিব্রু ভাষার পোস্টগুলো মডারেশন করার জন্য সেপ্টেম্বরে আহ্বান জানিয়েছিল বোর্ড। ফেসবুক বলছে, পর্যালোচনা থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করবে তারা।

গত মে মাসে গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্টজ ফেসবুকের নির্বাহীদের ফিলিস্তিনিদের ইসরায়েলবিরোধী পোস্টের বিষয়ে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। ইসরায়েলের জন্য ক্ষতিকারক এমন বিষয়বস্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে অপসারণে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা ফেসবুকের অভ্যন্তরীণ নথিতে দেখা গেছে, ফিলিস্তিনি কর্মী ও লেখক মোহাম্মদ এল-কুর্দের পোস্ট অবনমনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এল-কুর্দ বলেছেন, ইনস্টাগ্রামে তাঁর ৭ লাখ ৪৪ হাজার অনুসারী থাকলেও, মে মাসে শেখ জাররাহ এলাকায় ফিলিস্তিনি বিক্ষোভের সময় তাঁর ইনস্টাগ্রামের ভিউ নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়। তিনি বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে আমার অ্যাকাউন্টের এই ভিত্তিহীন নীরবতা সন্দেহ করছি।’

ফিলিস্তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী তালা গন্নাম বলেছেন, ‘কমিউনিটি গাইডলাইন’ লঙ্ঘনের অভিযোগ তাঁর পোস্টগুলো ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে মুছে ফেলা হয়েছে; বিশেষ করে উচ্ছেদের ঝুঁকিতে থাকা ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর সমর্থনে #SaveSheikhJarrah ট্যাগ করা পোস্টগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওই সময় মনে হয়েছিল আমার মতপ্রকাশের কোনো স্বাধীনতা নেই।’

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন