default-image

ফ্রান্সের নিস শহরে ছুরিকাঘাতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। শহরটির মেয়র ক্রিশ্চিয়ান এস্ত্রোজি বলেছেন, এটা সন্ত্রাসী হামলা। স্থানীয় পুলিশ বলছে, হামলায় এক নারীর শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। হামলার পর পরই সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কৌঁসুলিরা একটি হত্যা মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছেন।      
নিস শহরের গির্জা নটর ডেম বাসিলিকার কেন্দ্রস্থলে ছুরি নিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত তিনজনের একজন  বাসিলিকার তত্ত্বাবধায়ক। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে আহতদের সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনার পর ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্থানীয় জনসাধারণকে হামলাস্থল এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই মন্ত্রণালয়ের জরুরি সভা ডাকা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

১৬ অক্টোবর প্যারিসের শহরতলিতে এক শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহত ওই শিক্ষক রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াতেন। ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ ক্লাসে তিনি শিক্ষার্থীদের মহানবী (সা.)-এর কার্টুন দেখিয়েছিলেন। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কার্টুন দেখানোর আগে ওই শিক্ষক ক্লাসে বলেছিলেন, ক্লাসে থাকা মুসলিম শিক্ষার্থীদের যদি খারাপ লাগে, তবে তারা বেরিয়ে যেতে পারে। এ ঘটনাকে ঘিরে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ মন্তব্য নিয়ে মুসলিম বিশ্বে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফ্রান্সের নিস শহর মারাত্মক সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। গত ২০১৬ সালের ১৪ জুলাই এক তিউনিসীয় নাগরিক জনমানুষের ভিড়ের মধ্যে ট্রাক চালিয়ে দিয়েছিলেন। ওই ঘটনায় ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

মন্তব্য পড়ুন 0