default-image

ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে বাসমতি চালের নিবন্ধনের সুযোগ পেল পাকিস্তান। এই চাল নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ভারতের সঙ্গে আইনি লড়াই চলছে দেশটির। নিবন্ধনের সুযোগ পেয়ে সেই আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে গেল পাকিস্তান। ভারত ও পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই বাসমতি চালকে নিজেদের পণ্য বলে দাবি করে আসছে।

বিজ্ঞাপন

কোনো একটি দেশের মাটি, পানি, আবহাওয়া এবং ওই জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে ওই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৭ সদস্যের ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে বাসমতি চালকে নিজেদের পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করতে ভারতের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো পণ্য নিবন্ধন করাতে আইন অনুযায়ী সেটি ওই দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) আইনের অধীনে সুরক্ষিত থাকতে হবে।

পাকিস্তানের বাণিজ্য পরামর্শক আবদুল রাজ্জাক দাউদ টুইটারে বলেন, বাসমতি চালকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের সুযোগ পেয়েছে পাকিস্তান। জিআই অ্যাক্ট–২০২০–এর অধীনে বাসমতি চালকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করেছে।

বিজ্ঞাপন

বাসমতি জিআই ট্যাগ পাওয়ায় ইইউতে ভারতের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান শক্ত হবে। এর আগে বাসমতিকে পাকিস্তানের পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি ঠেকাতে গত সেপ্টেম্বরে ইইউর কাছে আবেদন করে ভারত। আবেদনে ভারত দাবি করে, বাসমতি হচ্ছে বিশেষ লম্বা সুগন্ধি চাল, যা উপমহাদেশের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলে উৎপাদিত হয়। ওই অঞ্চল উত্তর ভারতের একটি অংশ হিসেবে আবেদনে দাবি করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

ডিসেম্বের ভারতের আবেদনকে চ্যালেঞ্জ করে পাকিস্তান। তারা একে ভারত ও পাকিস্তানের যৌথ পণ্য হিসেবে যুক্তি তুলে ধরে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিবছর ৫ থেকে ৭ লাখ টন বাসমতি চাল রপ্তানি করে পাকিস্তান, যার মধ্যে ২ থেকে আড়াই লাখ টন ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোয় যায়।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন