default-image

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ হিসাবে মৃতের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে বলে বিবিসির খবরে বলা হয়।

বিশ্বে ‘এখন সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছাড়াচ্ছে’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এমন সতর্কবার্তার এক দিন পরেই মৃত্যুর ব্যাপকতার এ সংখ্যা জানা যায়।

মৃতের বিরাট এ সংখ্যার সঙ্গে তুলনা করে এএফপির খবরে বলা হয়, জ্যামাইকা বা আর্মেনিয়ার মোট জনসংখ্যা ৩০ লাখের কম। আর ১৯৮০-৮৮ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধে যত মানুষ নিহত হয়েছে, তার তিন গুণ এখন পর্যন্ত করোনায় মারা গেছে।

শুধু ভারতেই আজ নতুন করে ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই মহামারি শুরুর পর ১৪ কোটি মানুষ এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। গত সপ্তাহে বিশ্বে গড়ে প্রতিদিন ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস গতকাল সতর্ক করে বলেন, শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা খুবই উদ্বেগের। বিশ্বজুড়ে প্রতি সপ্তাহে নতুন আক্রান্তের যে সংখ্যা, তা গত দুই মাসের মোট আক্রান্তের প্রায় কাছাকাছি।

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ব্রাজিল—এই তিন দেশে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে। জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির হিসাবে এই দেশগুলোতে ১০ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় ২০২০ সালের ৯ জানুয়ারি। তবে সেই ঘোষণা আসে ১১ জানুয়ারি।

গত বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে বিভিন্ন দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে।

গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগের নামকরণ করে ‘কোভিড-১৯’।
গত বছরের ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন