default-image

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৮৮ হাজার ছাড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে আজ রোববার সকাল নাগাদ করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগী ৩ কোটি ৯৫ লাখ ৮৮ হাজার ২৯৩ জন।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছেন ১১ লাখ ৮ হাজার ৫৭৬ জন।

বিজ্ঞাপন

বিশ্বে করোনা থেকে সেরে ওঠা মানুষের সংখ্যা ২ কোটি ৭০ লাখ ৮৯ হাজার ৯১২ জন।

বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮১ লাখ ২ হাজার ১৩৩ জন। মারা গেছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ১৫৭ জন।

ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭৪ লাখ ৩২ হাজার ৬৮০ জন। দেশটিতে মারা গেছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৯৯৮ জন।

ব্রাজিল আছে তৃতীয় অবস্থানে। ব্রাজিলে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫২ লাখ ২৪ হাজার ৩৬২ জন। দেশটিতে মারা গেছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭৫ জন।

তালিকায় রাশিয়ার অবস্থান চতুর্থ। আর্জেন্টিনা পঞ্চম। কলম্বিয়া ষষ্ঠ। সপ্তম স্পেন। অষ্টম ফ্রান্স। পেরু নবম। মেক্সিকো দশম।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৭তম।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় ৯ জানুয়ারি। তবে তার ঘোষণা আসে ১১ জানুয়ারি।

বিজ্ঞাপন

১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে।

১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগের নামকরণ করে ‘কোভিড-১৯ ’।

১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ পরিস্থিতি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শনিবার পর্যন্ত করোনায় দেশে মোট ৫ হাজার ৬৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে এখন পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্তের খবর জানানো হয়। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে সরকার।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের কথা জানানো হয়। শুরুর দিকে সংক্রমণ ছিল ধীর। ক্রমে সেটি বাড়তে শুরু করে। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে শুরু করে। জুন মাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু—দুটোই অনেক বেড়ে যায়। সপ্তাহওয়ারি হিসাবে, আগস্টের মাঝামাঝি (সংক্রমণের ২৪ তম সপ্তাহ) থেকে নতুন রোগী ক্রমে কমতে দেখা যায়। সংক্রমণের ৩১তম সপ্তাহ (৪-১০ অক্টোবর) এই নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত ছিল। ওই সপ্তাহে মোট নতুন রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের নিচে নেমে এসেছিল। গতকাল শেষ হওয়া সপ্তাহে নিম্নমুখী সে ধারায় ছন্দপতন হয়েছে। এই সপ্তাহে রোগী শনাক্ত আবার ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।

জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলে আসছেন, আক্রান্তের শীর্ষে থাকা দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুর হার কম। কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলে এটি আরও কমানো সম্ভব।

মন্তব্য পড়ুন 0