বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাশিয়া ও ইউক্রেন বিশ্বের অন্যতম শস্য উৎপাদনকারী দেশ। গম, উদ্ভিজ্জ তেল, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রধান খাদ্যপণ্য রপ্তানি করে থাকে দেশ দুটি।

এফএও এক বিবৃতিতে জানায়, তাদের খাদ্যতালিকার সূচক অনুযায়ী গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চে পণ্যের দাম রেকর্ড বাড়ার পর এপ্রিলে সেটা আগের মাসের চেয়ে ০.৮ শতাংশ কমে গেছে। বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক দাম নিয়ে মাসিক এই সূচক প্রকাশ করা হয়।

এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ মাক্সিমো তোরেরো কুলেন বলেন, সূচকে কিছুটা মূল্য কমা স্বস্তির, বিশেষ করে খাদ্যঘাটতিতে থাকা নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য। কিন্তু খাবারের দাম এখনো অনেক বেশি রয়েছে, যা বিদ্যমান বাজার পরিস্থিতিকে প্রতিফলন করে এবং সবচেয়ে গরিব ব্যক্তিদের জন্য বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তায় চ্যালেঞ্জে হিসেবে দেখা দিয়েছে।

এফএওর সূচকে দাম কমায় জন্য কিছুটা ভূমিকা রেখেছে উদ্ভিজ্জ ভোজ্যতেল (ভেজিটেবল ওয়েল)। এপ্রিলে এই তেলের দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। যদিও এফএও বলছে, উদ্ভিজ্জ তেলের দাম এখনো অনেক বেশি। কারণ, ইন্দোনেশিয়ার বাইরে অন্য দেশগুলোতে এই তেলের রপ্তানি নিয়ে অনিশ্চয়তা আছে। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম তেল রপ্তানিকারক দেশ।

ইন্দোনেশিয়া দুই সপ্তাহ আগে পাম তেল রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয়। তেলের সংকটে খোদ ইন্দোনেশিয়াতেই ভেজিটেবল ওয়েলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। ইউক্রেন যুদ্ধ ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম আরও বাড়তে পারে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন