default-image

ব্রিটিশ রাজনীতিতে রুশ হস্তক্ষেপ নিয়ে তৈরি প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় ব্রিটিশ সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন। বিবিসির এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ব্রিটিশ গণতন্ত্রে রাশিয়ার সম্পৃক্ততার অভিযোগ পর্যবেক্ষণ করে ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছে পার্লামেন্টের ইনটেলিজেন্স কমিটি ও নিরাপত্তা কমিটি। রাশিয়ার সম্পৃক্ততার মধ্যে রয়েছে চরবৃত্তি, নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ। তবে আগামী ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনের আগে এটি প্রকাশ করা হবে না বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

হিলারি ক্লিনটন বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যাঁরা ভোট দেন, তাঁদের অধিকার রয়েছে নির্বাচনের আগে এই প্রতিবেদনে কী বলা হয়েছে, তা জানার।

২০১৬ সালে ব্রেক্সিট নিয়ে যে গণভোট হয়, এতে মস্কোর ভূমিকা নিয়ে সম্প্রতি সন্দেহ দেখা দেয়। লন্ডনে রাশিয়ার দূতাবাস কট্টর ব্রেক্সিটের সমর্থকদের ঠিক কতটা মদদ দিয়েছে, সে বিষয়ে এক পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়। গত মার্চে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ইনটেলিজেন্স কমিটি সেই তদন্তের প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। অক্টোবর মাসের শুরুতেই ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও মন্ত্রিসভার দপ্তর সেটি প্রকাশ করার ছাড়পত্র দেয়। তবে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এটি প্রকাশের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। নির্বাচনের আগে এটি প্রকাশের আর সম্ভাবনাও নেই। কারণ কয়েক দিনের মধ্যে পার্লামেন্টের অধিবেশন শেষ হচ্ছে। ১২ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচন। এতে এমপিদের পক্ষে আর সেই প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না। এর কঠোর সমালোচনা করেছেন হিলারি ক্লিনটন।

বিবিসির রেডিও ৪ টুডে অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই ঘটনাকে বর্ণনার অতীত ও লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করে হিলারি বলেন, ‘কারণ কোনো সন্দেহই নেই। আমরা এটা আমাদের দেশে দেখেছি। ইউরোপেও দেখেছি। এখানেও দেখছি। পশ্চিমা গণতন্ত্রে রাশিয়া হস্তক্ষেপের ব্যাপারে বদ্ধ পরিকর। এটা আমাদের সুবিধার জন্য নয় বরং তাদের নিজেদের জন্য।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0