বিজ্ঞাপন

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআইকে নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন শচীন শেকুইরা বলেন, ‘নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে আমরা এখনো অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের আশা রাখা উচিত। এ মুহূর্তে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ভালো। খারাপ কিছু আমরা পিছে ফেলে এসেছি আশা করছি।’

বেঁচে যাওয়া এক ক্রু বলেন, ‘বার্জটি যখন ডুবে যাচ্ছিল, আমি সাগরে ঝাঁপ দিই। ১১ ঘণ্টা আমি সাগরেই ছিলাম। পরে নৌবাহিনী আমাকে উদ্ধার করে।’

ঘূর্ণিঝড় তাকতের আঘাতে আরও তিনটি বাণিজ্যিক বার্জ প্রায় ৭০০ লোক নিয়ে উত্তাল সাগরে আটকা পড়ে। সাগরে ভাসতে থাকা ওই বার্জগুলোর ক্রুদের উদ্ধারে তিনটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হয়। এসব বার্জের মধ্যে দুটি মুম্বাই উপকূল থেকে এবং আরেকটি গুজরাট উপকূল থেকে ভেসে যায়। একটি ছিল কার্গো। এটি গত সোমবার মুম্বাই উপকূল থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে নোঙর করা ছিল।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানায়, সোমবার ভারতের পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড় তকতের তাণ্ডবে গুজরাটের ১২ জেলায় অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজ্যটির সৌরাত্র অঞ্চলের আমরেলি জেলা। সেখানে মারা গেছেন অন্তত ১৫ জন।

গুজরাটে ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষায় দুই লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হয় এবং কয়েকটি বন্দর ও বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টির কারণে অনেক গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। এ কারণে বিভিন্ন এলাকা বিদ্যুৎ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিগত ৩০ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন