বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কুকুরের এই ভাষাদক্ষতা শনাক্ত করতে গবেষকেরা একটি ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং মেশিন (এমআরআই) ব্যবহার করেন। ১৮টি প্রশিক্ষিত কুকুরকে ওই যন্ত্রের মধ্যে রেখে শিশুদের জনপ্রিয় ছোটগল্প ‘দ্য লিটল প্রিন্স’–এর কিছু পঙ্‌ক্তি স্প্যানিশ ও হাঙ্গেরি ভাষায় বাজানো হয়। এই ভাষার সব কটি এর আগে মাত্র একটি কুকুর শুনেছিল তার মালিকের কাছ থেকে। স্বাভাবিক ভাষা ও বিকৃত ভাষা শনাক্তে কুকুরের দক্ষতা পরীক্ষা করতে গবেষকেরা ওই পঙ্‌ক্তিগুলো উল্টো দিক থেকে বাজান।

তখন গবেষকেরা দেখতে পান, যখন বিকৃত ও স্বাভাবিক বক্তৃতা বাজানো হয়, তখন কুকুরের মস্তিষ্কের ভিন্ন ভিন্ন এলাকা সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ ছাড়া যখন পরিচিত ও অপরিচিত ভাষায় পঙ্‌ক্তিগুলো বাজানো হয়, তখনো সেগুলোর মস্তিষ্কের ধরনের ভিন্নতা লক্ষ করা যায়।

গবেষণার অন্যতম লেখক ও ইয়োতভস লোরান্দ ইউনিভার্সিটির গবেষক লঁরা কুয়া বলেন, হাজার হাজার বছর ধরে মানুষকে বিভিন্ন কাজে সহায়তা ও তাদের সঙ্গে বসবাস করে আসছে কুকুর। সে কারণেই এই গবেষণায় কুকুর হচ্ছে সেরা মডেল। মানুষের মতো যত্ন নিতে পারে, এমন কোনো প্রাণীর নাম এলে সেটা অবশ্যই কুকুর।

বিশ্ববিদ্যালয়টির ফ্যামিলি ডগ প্রজেক্টের গবেষণা ফেলো ও গবেষণার জ্যেষ্ঠ লেখক আতিলা আন্দিস বলেন, হাজার হাজার বছর মানুষের সঙ্গে বসবাসের কারণে কুকুর এ দক্ষতা অর্জন করে থাকতে পারে। তবে এই ধারণা নিশ্চিত নয়। এ জন্য ভবিষ্যতে আরও গবেষণা করা দরকার।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন