default-image

আসাম বিধানসভা নির্বাচনে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষে এখানকার একটি বুথে গণনার পর ১৮১ ভোট পড়তে দেখা যায়। অথচ ওই বুথে নিবন্ধিত ভোটার ছিল ৯০ জন। এই ঘটনায় ছয় পোলিং কর্মকর্তাকে বরখাস্তের পাশাপাশি পুনরায় ভোট নেওয়ার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন।


এনডিটিভির প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ১২৬ আসনের আসাম বিধানসভা নির্বাচনে গত ২৭ মার্চ ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার তৃতীয় দফার মধ্য দিয়ে ভোট শেষ হবে। ঘটনাটি ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোটের দিনের। আসামের দিমা হাসাও জেলার হাফলং আসনে। সেখানকার ১০৭(এ) খোথলির লোয়ার প্রাইমারি স্কুলের একটি বুথে নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ৯০ জন। দিন শেষে দেখা যায় ওই বুথে মোট ভোট পরেছে ১৮১টি। এই আসনের বিধায়ক ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বীর ভদ্র ।

বিজ্ঞাপন


এই ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তদন্তে নামে নির্বাচন কমিশন। প্রাথমিক তদন্তে পোলিং অফিসাররা দোষ স্বীকার করে নেন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মূল বুথের পাশাপাশি সহায়ক বুথেও ভোট গণনা হওয়ায় এই ঘটনা ঘটেছে।
ভারতে করোনা মহামারির সময় অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোয় যেসব কেন্দ্রে ভোটার বেশি সেখানে মূল বুথের পাশাপাশি সহায়ক বুথ চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যাতে ভোটাররা স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরত্ব বজায় রেখে ভোট দিতে পারেন। কিন্তু আসামের ওই কেন্দ্রে ভোটার কম ছিল। তাই সহায়ক বুথের প্রয়োজন ছিল না। তার পরও সহায়ক বুথ চালু করা হয়েছিল।


আজ সোমবার আসামের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা ওই বুথে দায়িত্বরত ছয় পোলিং কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে। বুথটিতে আবারও ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের।
এর আগে প্রথম দফার ভোট শেষে আসামের করিমগঞ্জ জেলার রাতাবাড়ি আসনে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম উদ্ধার হয়। ওই ঘটনায় বরখাস্ত করা হয় চার নির্বাচনী কর্মকর্তাকে। ওই আসনে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন