default-image

ব্রিটিশ রাজপরিবারের রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে দেখা গেছে মেগান মার্কেলকে। তিনি কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে নারীদের নিয়ে কাজ করে এরকম দাতব্য দুই সংস্থা পরিদর্শন করেছেন।

এএফপির খবরে জানানো হয়, ব্রিটিশ গণমাধ্যম বলছে, মেগান আদালতে তাঁর বাবার মুখোমুখি হতে পারেন। গত বছরের অক্টোবরে ‘দি মেইল অন সানডে’ পত্রিকার প্রকাশকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন মেগান। ট্যাবলয়েড ওই পত্রিকাটি বাবা টমাস মার্কেলকে লেখা মেগানের একটি চিঠি প্রকাশ করেছিল।

গত সপ্তাহে রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত জানান প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁরা রানি এলিজাবেথের সঙ্গে পরামর্শ করেন।

মেগান এখন কানাডায় অবস্থান করছেন। সেখানেই তিনি ও প্রিন্স হ্যারি খণ্ডকালীন কাজ করার পরিকল্পনা করেছেন। দ্য ডাচেস অব সাসেক্স মেগান স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার ডাউনটাউন ইস্টসাইড উইমেনস সেন্টার পরিদর্শন করেন। অলাভজনক এই সংস্থাটি সহিংসতার শিকার, আশ্রয়হীন ও দরিদ্র নারীদের সহায়তা দেয়। মেগান সেন্টারের পরিচালক ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন। প্রতিবেশী এলাকার নারীরা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা করেন মেগান।

সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক কেট গিবসন বলেন, এই কমিউনিটিতে নারীদের সঙ্গে কী হচ্ছে, তা জানতে মেগান খুব আগ্রহী। এখানকার প্রান্তিক নারীরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে। এসব মোকাবিলা করেই তাঁরা টিকে থাকার চেষ্টা করেন।

ভ্যাঙ্কুভারভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা জাস্টিস ফর গার্লস গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সফরকালে মেগান টুইটে ছবি পোস্ট করতে দেননি। জাস্টিস ফর গার্লস গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়, গতকাল ডাচেস অব সাসেক্স মেগান মার্কেল সেখানে সফর করেছেন। তিনি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে আলোচনা করেন। দরিদ্র কিশোরীদের কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়েও কথা বলেন।

আগামী দিনগুলোতে বোঝা যাবে হ্যারি ও মেগানের নতুন ভূমিকা কীভাবে কার্যকর হয়।

২০১৮ সালের মে মাসে ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের ষষ্ঠ উত্তরাধিকারী হ্যারির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক টেলিভিশন অভিনেত্রী মেগানের বিয়ে হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেননি মেগানের বাবা টমাস মার্কেল। ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে বাবাকে চিঠি লিখেছিলেন মেগান। চিঠিতে বাবার সঙ্গে মেগানের সম্পর্কের টানাপোড়েনের বিষয় ছিল। চিঠিটি প্রকাশ করায় হ্যারি ও মেগান তথ্য সুরক্ষা আইনে ট্যাবলয়েড পত্রিকার প্রকাশকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0