default-image

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। আজ সোমবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

গত শনিবার রাতে লন্ডনের অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ লন্ডন ব্রিজের ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি উঠিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। এরপর তারা কিছু দূর এগিয়ে বারা মার্কেট এলাকায় এলোপাতাড়ি ছুরি হামলা চালায়। এই হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৪৮ জন। পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন সন্দেহভাজন তিন হামলাকারী।

হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাত নারীসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার ভোরে পূর্ব লন্ডনের বার্কিং এলাকার একটি বহুতল ভবনে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। ‘এলিজাবেথ ফ্রাই’ নামের ওই ভবনের নিচতলায় তিন হামলাকারীর অন্তত একজন বসবাস করতেন বলে পুলিশের ধারণা।

হামলার দায় গতকাল স্বীকার করে আইএস।

আইএসের কথিত বার্তা সংস্থা আমাক নিউজ এজেন্সিতে বলা হয়, ‘আইএসের একটি ছোট যোদ্ধাদল গতকাল লন্ডনে হামলা চালিয়েছে।’

দায় স্বীকারের আগেই লন্ডনে হামলার ঘটনায় আইএসের সমর্থকেরা অনলাইনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

শনিবারের হামলাকে যুক্তরাজ্যের পুলিশও ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে আখ্যায়িত করেছে।

ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী বিবিসিকে জানান, হামলার সময় এক হামলাকারী বলছিল, ‘এটা আল্লাহর জন্য।’

সপ্তাহ দু-এক আগে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে কনসার্ট হলে আত্মঘাতী হামলার দায়ও স্বীকার করেছিল আইএস। এর আগে গত ২২ মার্চ ব্রিটিশ পার্লামেন্টের বাইরে গত শনিবারের মতো একই কায়দায় সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে শনিবারের হামলার ধরনকে সন্ত্রাসের ঝুঁকির ‘নতুন প্রবণতা’ উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ দমনে নতুন চারটি কর্মপন্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়।’

নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।

সন্ত্রাসী হামলায় হতাহত ব্যক্তিদের প্রতি সম্মান জানিয়ে যুক্তরাজ্যের নির্বাচনী প্রচারণা গতকাল বন্ধ রেখেছিল প্রধান দলগুলো। ৮ জুন যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন।

 আরও পড়ুন...

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন