বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্বজুড়ে প্রবালপ্রাচীর থাকা ১০টি অঞ্চলকে পর্যবেক্ষণ করেছে গ্লোবাল কোরাল রিফ মনিটরিং নেটওয়ার্ক। এতে দেখা গেছে, মূলত কোরাল ব্লিচিংয়ের (প্রবালের রং পরিবর্তন) কারণে প্রবাল প্রাচীরগুলো বিলুপ্ত হচ্ছে। উষ্ণ পানির চাপে প্রবালগুলো টিস্যুতে থাকা রঙিন শেওলা বের করে দেয় এবং তাদের রং সাদা হয়ে যায়, একেই বলে কোরাল ব্লিচিং। গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, ১৯৯৮ সালে কোরাল ব্লিচিংয়ের প্রভাবে বিশ্বের মোট প্রবালের ৮ শতাংশই ধ্বংস হয়ে গেছে।

সমুদ্রের তলদেশে ১ শতাংশের কম জায়গা আচ্ছাদিত করে রাখে প্রবালপ্রাচীর। তবে এ প্রবালপ্রাচীর কাছিম, মাছসহ ২৫ শতাংশের বেশি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

প্রবালপ্রাচীর বিলুপ্তির জন্য বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত মাছ ধরা, সাময়িক উপকূলীয় উন্নয়ন ও পানির গুণাগুণ কমে যাওয়ার মতো আরও কিছু কারণকে দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের প্রধান নির্বাহী পল হার্ডিস্টি জানান, সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা বাড়তে থাকলে প্রবালপ্রাচীরের বিলুপ্তি চলতেই থাকবে।

গত আগস্টে জলবায়ুবিষয়ক আন্তসরকার প্যানেলের (আইপিসিসি) এক প্রতিবেদনেও সমুদ্রের উষ্ণতা বাড়া নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।

অবশ্য আশার কথাও শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা দেখেছেন, ২০১৯ সালে ২ শতাংশ প্রবালপ্রাচীর নতুন করে জেগেছে। আর এর ভিত্তিতে তাঁরা সম্মত হয়েছেন যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী উপাদানগুলো ঠেকানো গেলে প্রবালপ্রাচীরের এলাকাগুলো আবারও জাগিয়ে তোলা সম্ভব। প্রবালপ্রাচীরের ওপর চাপ কমানো গেলে এক দশকের মধ্যে ১৯৯৮ সালের-পূর্ববর্তী অবস্থায় এগুলোকে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন