বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিপিজের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছর আরও ১৮ সাংবাদিকের এমন পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছে যে তাঁরা তাঁদের কাজের জন্য লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়াটা খুব কঠিন।

সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, একেক দেশে একেক কারণে সাংবাদিকেদের কারা অন্তরীণ করা হয়েছে। তবে রেকর্ডসংখ্যক সাংবাদিক গ্রেপ্তার ও কারাবন্দী করার ঘটনা মূলত বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতারই প্রতিফলন।

সিপিজের নির্বাহী পরিচালক জোয়েল সিমন এক বিবৃতিতে বলেন, এ নিয়ে ষষ্ঠবার বিশ্বজুড়ে রেকর্ডসংখ্যক সাংবাদিক কারাবন্দী করার তথ্য তালিকাভুক্ত করল সিপিজে।

জোয়েল সিমন বলেন, এ সংখ্যা দুটি অবিচ্ছেদ্য চ্যালেঞ্জ তুলে ধরছে—সরকার তথ্য নিয়ন্ত্রণ করতে বদ্ধপরিকর ও এ কাজ করার জন্য তারা ক্রমেই আরও রূঢ় হচ্ছে।

চলতি বছর যেসব সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের একজন দানিশ সিদ্দিকী। তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের আলোকচিত্র সাংবাদিক ছিলেন। গত জুলাইয়ে তিনি আফগানিস্তানে তালেবানের হামলায় নিহত হন। এ ছাড়া গত জুনে মেক্সিকোতে গুস্তাভো শানচেজ কাবেরাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

সিপিজের হিসাব অনুযায়ী, এ বছর চীনে সবচেয়ে বেশি ৫০ সাংবাদিককে কারা অন্তরীণ করা হয়। তারপরই রয়েছে মিয়ানমার। দেশটিতে গত ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর সামরিক জান্তা ২৬ সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে। এ বছর মিসরে ২৫, ভিয়েতনামে ২৩, বেলারুশে ১৯ সাংবাদিককে কারা অন্তরীণ করা হয়েছে।

এ বছর প্রথমবারের মতো চীনের আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকংয়ে কারারুদ্ধ সাংবাদিকদের তালিকাভুক্ত করেছে সিপিজে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন