বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মার্সেলো বলেন, মেক্সিকোর আশ্রয়দানের প্রক্রিয়া তুলনামূলক সহজ। তাঁরা ৯৫ শতাংশের বেশি আবেদন অনুমোদন করে থাকেন।

সহিংসতা ও দারিদ্র্য থেকে বাঁচতে সাম্প্রতিক মাসগুলোয় হাজারো অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থী মেক্সিকোয় হাজির হয়েছেন। এ কারণে চাপের মুখে পড়েছে মেক্সিকো। এই অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থীদের মধ্যে অনেকে মেক্সিকোয় আশ্রয় চাইছেন। অনেক আবার যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার চেষ্টা করছেন।

মেক্সিকোয় আশ্রয়প্রার্থীদের অধিকাংশই নর্দার্ন ট্রায়াঙ্গেল বলে পরিচিত দেশ গুয়াতেমালা, হন্ডুরাস ও এল সালভাদর থেকে আসা।

সহিংসতা, দুর্নীতি, চরম দারিদ্র্য, বেকারত্ব প্রভৃতি কারণে এসব দেশের মানুষ স্বদেশ ত্যাগ করছেন।

মেক্সিকো হয়ে অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী-শরণার্থী যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকার চেষ্টা করে আসছেন। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও সীমান্তে কড়াকড়ি জারি রেখেছেন। এ কারণে কোনো ধরনের আবেদনের সুযোগ না দিয়েই অনুপ্রবেশের চেষ্টাকারী লোকজনকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এতে চলতি বছর মেক্সিকোয় শরণার্থীসংখ্যা বেড়ে তিন গুণ হয়েছে।

মরিয়া হয়ে শরণার্থীদের বিপজ্জনক যাত্রাকালে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে এক সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৬ জন আশ্রয়প্রত্যাশী নিহত হন। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন গুয়াতেমালার অধিবাসী। তাঁরা ট্রাকে করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।

অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ-সহিংসতার ঘটনাও ঘটছে। অতীতে এমন সহিংসতায় অনেকে নিহত হয়েছেন।

মেক্সিকোর জাতীয় অভিবাসন ইনস্টিটিউট (আইএনএম) বলছে, মেক্সিকোয় এ বছর হাইতির লোকজনের শরণার্থীর আবেদনের সংখ্যা সাত গুণ বেড়েছে। গত জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত হাইতির ৪৭ হাজার ৪৯৪ জনের আবেদন জমা পড়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৯৩৫।

আইএনএম জানায়, বৈধ প্রবেশপথ ছাড়াও ভিন্ন পথে হাইতি থেকে মেক্সিকোয় আসা মানুষের সংখ্যা তাৎপর্যপূর্ণভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত হাইতির এমন মানুষের সংখ্যা ১৭ হাজার ৫১৬।

আইএনএম বলছে, সব মিলিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেক্সিকোয় নথিপত্রহীন ১ লাখ ৯০ হাজার বিদেশি নাগরিক শনাক্ত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৭৪ হাজার ৩০০ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন