বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটির গবেষক ফিও ওয়াইসুম মা বলেন, ‘এটি ইতিহাসের সবচেয়ে সুরক্ষিত ডাইনোসর জীবাশ্ম।’

ফিও ওয়াইসুম মা ও তাঁর সহকর্মীরা ডাইনোসরের বাচ্চাটির মাথা কুঁজো অবস্থায় দেখতে পেয়েছেন। ফিও ওয়াইসুম মা বলেন, বর্তমান সময়ে পাখির বাচ্চা ফোটানোর প্রক্রিয়ার সঙ্গে ডাইনোসরের পূর্বপুরুষের মিল রয়েছে। তিনি বলেছেন, ডিম থেকে বাচ্চা ফোটাতে ব্যর্থ হওয়ার পর ডাইনোসরের বাচ্চাটি মরে যাওয়ার উচ্চ ঝুঁকি থাকে। উদ্ধার হওয়া ভ্রূণটি এ রকম কোনো পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।

কুঁজো হয়ে বাচ্চা ফোটানোর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে কুমিরের বাচ্চা হওয়ার কিছুটা মিল রয়েছে। কুমিরের বাচ্চা বসার ভঙ্গিতে মাথাটি বুকের ওপর রেখে দেয় বাচ্চা না ফোটা পর্যন্ত।

অভিরাপটোরসরকে ডিমচোর গুইসাপের সঙ্গে তুলনা করা হয়। যেটি বর্তমান এশিয়া ও উত্তর আমেরিকায় পাওয়া যায়। চীনে পাওয়া শিশু ডাইনোসরটি পা থেকে মাথা পর্যন্ত প্রায় ২৭ সেন্টিমিটার লম্বা। যেটি চীনের ইয়াংলিয়াং স্টোন ন্যাচার হিস্ট্রি মিউজিয়ামে একটি বড় ডিমের মধ্যে রয়েছে।

গবেষকেরা ধারণা করছেন, কাদামাটিতে চাপা ছিল ডাইনোসরের ডিমটি। ভূমিধসের কারণে ডিমটি মাটিতে চাপা পড়েছিল। ডিম থেকে ফোটার সুযোগ পায়নি ভ্রূণটি। প্রাপ্তবয়স্ক হলে ডাইনোসরটি ২ থেকে ৩ মিটার (সাড়ে ৬ থেকে ৯ দশমিক ৮ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। আর এটি সম্ভবত তৃণভোজী ছিল।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন