বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গবেষকদের মধ্যে ছিলেন জিয়াজিং ওয়াং। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ডার্টমাউথ কলেজের শিক্ষক। তিনি এই আবিষ্কারকে প্রাচীনকালে ‘সামাজিক সম্পর্কের’ অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। তাঁদের গবেষণা প্রবন্ধটি গত সপ্তাহে প্রকাশিত হয়েছে প্লস ওয়ান নামের একটি আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে।

এই বিষয়ে এক বিবৃতিতে বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ৯ হাজার বছরের পুরোনো এ রকম কোনো মাটির পাত্র এর আগে অন্য কোথায় পাওয়া যায়নি।

গবেষণা নিবন্ধে বলা হয়েছে, পাত্রগুলো খুব বেশি বড় নয়। ২০টি পাত্রের মধ্যে ৭টির গলা লম্বা। এগুলো ‘হু পাত্রের’ মতো, যা পানীয় পানের জন্য মানুষ আগে ব্যবহার করত। ওই মাটির পাত্রগুলো থেকে প্রাচীন জীবাশ্ম নমুনাও সংগ্রহ করেছেন গবেষকেরা। এই নমুনা পরীক্ষা করে দেখেছেন তাঁরা। পরীক্ষার পর পাত্রের ভেতর ভাতের শাঁস, লতাপাতার মিশ্রণ ও অন্যান্য গাছগাছালির উপাদান খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা। প্রাচীনকালে পানীয় তৈরির জন্য এগুলো ব্যবহৃত হতো। গবেষকেরা বলছেন, পাত্রের ভেতর এগুলো প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন হয়নি। পাত্রগুলোতে অ্যালকোহল অবশ্যই ছিল। পূর্ব এশিয়ায় ভাত পচিয়ে অ্যালকোহল তৈরির চল রয়েছে।

ওয়াং এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, মাটির পাত্রগুলো পানীয় রাখার কাজে ব্যবহৃত হতো। এই পানীয় সাধারণত ভাত পচিয়ে তৈরি করা হতো।’ তিনি আরও বলেন, ৯ হাজার বছর আগে এই রকম পানীয় তৈরি খুব একটা সহজ ছিল না। কারণ, সে সময় ধান চাষ খুবই প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল।

গবেষকেরা মনে করেন, ওই সময়কার অধিকাংশ অধিবাসী শিকারের ওপর নির্ভরশীল ছিল। বিশেষ রীতি মেনে চলতে হয়তো তারা পানীয় তৈরি করত।

বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন