default-image

কয়েকজন পশ্চিমা ও জাপানি জিম্মিকে গলা কেটে হত্যা করা ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সদস্য মোহাম্মদ এমওয়াজি ওরফে ‘জিহাদি জন’কে জীবিত আটক চান নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা। আইএস প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিওতে তাঁকে জিম্মিদের পাশে ছুরি হাতে, মুখসহ সারা শরীর কালো কাপড় জড়ানো অবস্থায় দেখা যায়। ওই ঘাতক একজন ব্রিটিশ, তা ইতিমধ্যে একরকম নিশ্চিত থাকলেও ওয়াশিংটন পোস্ট গত বৃহস্পতিবার সকালে প্রথম তাঁর প্রকৃত নাম প্রকাশ করে। খবর গার্ডিয়ান ও বিবিসির।
মোহাম্মদ এমওয়াজির হাতে নিহত ব্রিটিশ ত্রাণকর্মী ডেভিড হেইনসের স্ত্রী ড্রাগানা হেইনস বলেন, ‘আমি চাই তাকে জীবিত ধরা হবে। তাকে বিচারের মুখোমুখি করা দরকার।’
শিরশ্ছেদের শিকার মার্কিন সাংবাদিক স্টিভেন সটলফের পরিবারের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমি আদালতে বসে তার দণ্ড পাওয়া এবং এরপর উচ্চ নিরাপত্তাসম্পন্ন কারাগারে নিয়ে যাওয়া দেখতে চাই।’ তবে ডেভিড হেইনসের মেয়ে বেথানি হেইনস ওই জিহাদির শেষ পরিণতি দেখতে চান তাঁর দুই চোখের মাঝখানে একটি বুলেটের মাধ্যমে।
আইএসের হাতে একইভাবে নিহত আরেক মার্কিন সাংবাদিক জেমস ফলির মা জানান, তিনি তাঁর ছেলের হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।
শিরশ্ছেদের ভিডিওতে ব্রিটিশ উচ্চারণে ইংরেজি বলার কারণে ‘জিহাদি জন’ নামে পরিচিতি পেয়েছিলেন ওই আইএস জঙ্গি। বিবিসির খবর অনুযায়ী এমওয়াজি পশ্চিম লন্ডনের বাসিন্দা বলে ধারণা করা হয়। তিনি কুয়েতি বংশোদ্ভূত। পরে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পান। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৭।
এমওয়াজির বন্ধুরা ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকাকে বলেছেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের এই যুবক লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টমিনস্টারে কম্পিউটার নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।
যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা সদস্যরা এমওয়াজির পরিচয় বেশ আগেই পেয়েছিলেন। তবে তাঁরা এটি গোপন রেখেছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিশ্ব থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন