বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জুমা বর্তমানে হাসপাতালে রয়েছেন। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে তাঁর রোগ সম্পর্কে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। গত জুলাই মাসে তিনি আদালতের কাছে সাজা প্রত্যাহারের আবেদন জানান এবং বলেন, এটা মাত্রাতিরিক্ত। এতে তাঁর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তবে গতকাল শুক্রবার আদালত তাঁর আবেদন নাকচ করেন।

২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আন্দোলনের মুখে পদত্যাগে বাধ্য হন জ্যাকব জুমা। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তাঁর প্রশাসনের লোকেরা যখন ব্যাপক মাত্রায় দুর্নীতি করছিলেন, তখন তিনি চোখ বুজে ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকব জুমা তাঁর বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতির অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

দুর্নীতির মামলা চলাকালে আদালত অবমাননার দায়ে গত ২৯ জুন জুমার ১৫ মাসের কারাদণ্ড হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ আদালতের দেওয়া ওই রায়ে জুমাকে স্বেচ্ছায় পুলিশে ধরা দিতে পাঁচ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। ওই সময়সীমা শেষ হলে জুমা পুলিশে ধরা দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়। এর আগে গত ২২ জুলাই ভাইয়ের মৃত্যুর পর প্যারোলে কিছু সময়ের জন্য বের হয়েছিলেন জুমা।

২০১৮ সালে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার ঘোষণা দিয়ে জুমার স্থলাভিষিক্ত হন তাঁর সহকারী সিরিল রামাফোসা। জ্যাকব জুমার ৯ বছরের শাসনামলকে তিনি ‘নিষ্ফলা’ হিসেবেও আখ্যা দেন।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন