বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতিসংঘের মানবাধিকার–বিষয়ক হাইকমিশনারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ধারণা করা হচ্ছে, গত দুই সপ্তাহে অন্তত এক হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। কয়েকটি প্রতিবেদন বলছে, এ সংখ্যা আরও অনেক বেশি। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই তাইগ্রেয়ান।

আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে কোনো মন্তব্য করেননি ইথিওপিয়া সরকারের মুখপাত্র লেগেছে তুলু। তবে এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, টিপিএলএফের সমর্থকদের লক্ষ্য করেই ধরপাকড় চালানো হচ্ছে। ক্ষুদ্র জাতিসত্তার লোকজনকে হয়রানির কোনো উদ্দেশ্য নেই।

এদিকে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দেশটিতে জাতিসংঘের বেশ কয়েক কর্মীও রয়েছেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিভাগের মুখপাত্র লিজ থ্রসেলও। সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, সংস্থাটির সঙ্গে চুক্তিতে থাকা ৩৪ গাড়িচালক এখনো আটক অবস্থায় রয়েছেন। তিনি বলেন, যাঁরা এখনো আটক আছেন, তাঁদের মুক্তির জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। এমনটি না হলে, আদালত বা অন্য স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আটকের কারণ পর্যালোচনা করা উচিত। অথবা তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা উচিত।

গত এক বছরে ইথিওপিয়া সরকারের সঙ্গে টিপিএলএফের সংঘর্ষে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছে দেশটির ২০ লাখের বেশি বাসিন্দা। সংঘর্ষ-হানাহানির জেরে দেখা দিয়েছে দুর্ভিক্ষের মতো সংকট। এর ভুক্তভোগী হচ্ছে লাখ লাখ মানুষ।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন