জ্যাকব জুমা (৭৯) বৃহস্পতিবার থেকে তাঁর জন্মস্থান কাওয়াজুলু-নাতাল প্রদেশের এসটকোর্ট কারেকশনাল সেন্টারে কারাজীবন শুরু করেন। আদালত অবমাননার দায়ে গত ২৯ জুন তাঁকে কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। চলতি বছর শুরুর দিকে দুর্নীতির তদন্তে সমন পেয়েও আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁকে এ সাজা দেওয়া হয়।
আদালতের বিচারকমণ্ডলীর প্রধান গতকাল এক আদেশে বলেন, ‘(জুমার) আবেদন খারিজ করা হলো।’ বিচারক আরও বলেন, জ্যাকব জুমার স্বাস্থ্য নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে, তার সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

চার মাস পর প্যারোল

দক্ষিণ আফ্রিকার বিচারমন্ত্রী রোনাল্ড ল্যামোলা বৃহস্পতিবার বলেন, দুর্নীতির মামলায় অসহযোগিতা করে আদালত অবমাননার দায় মাথায় নিয়ে জ্যাকব জুমা কারাগারে গেছেন। কিন্তু এখন উৎসব করার সময় নয়, বরং এখন সংযম প্রদর্শনের সময়। সাবেক এই প্রেসিডেন্টকে অন্য বন্দীদের মতোই বিবেচনা করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
বিচারমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার কারাবিধি অনুযায়ী জুমা এক-চতুর্থাংশ সময় কারাভোগের পর (৪ মাস) প্যারোলে মুক্তির সুযোগ পাবেন।

২৯ জুন মঙ্গলবার আদালতের রায় ঘোষণার পর জ্যাকব জুমার গ্রেপ্তার ঠেকাতে তাঁর বাড়ির বাইরে মানবপ্রাচীর গড়ে তোলেন সমর্থকেরা। ক্ষমতায় থাকাকালেই জুমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগ তদন্ত করছিলেন দেশটির উপপ্রধান বিচারপতি রেমন্ড জোনডো। সেই তদন্তের জন্যই জুমাকে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি আদালতে হাজির হননি।