বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করস্বর্গ হিসেবে পরিচিত দেশ-অঞ্চলের কোম্পানিতে বিভিন্ন দেশের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যে অর্থ রেখেছেন, গোপন লেনদেন করেছেন, তার তথ্য গতকাল রোববার ফাঁস হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে প্যান্ডোরা পেপারস। গার্ডিয়ান, বিবিসিসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ওই সব কোম্পানির ১ কোটি ২০ লাখ নথি বিশ্লেষণ করে এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে।

ফাঁস হওয়া নথিতে কেনিয়াত্তা ও তাঁর পরিবারের ছয় সদস্যের ১৩টি অফশোর কোম্পানির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তাঁদের মন্তব্য জানার চেষ্টা করে বিবিসি। কিন্তু তাঁরা বিবিসির অনুরোধে সাড়া দেননি।

প্যান্ডোরা পেপারসের তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসি বলছে, অফশোর কোম্পানিতে কেনিয়াত্তার বিনিয়োগের মূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নথিতে আরও দেখা যায়, ২০০৩ সালে পানামায় ভ্যারিস নামের একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই ফাউন্ডেশনের প্রথম পৃষ্ঠপোষক কেনিয়াত্তার মা। আর দ্বিতীয় পৃষ্ঠপোষক কেনিয়াত্তা নিজে। মায়ের মৃত্যুর পর এই ফাউন্ডেশনের একমাত্র উত্তরাধিকারী হবেন কেনিয়াত্তা।

ফাউন্ডেশনটির উদ্দেশ্য ও তার সম্পদের মূল্য জানা যায়নি বলে বিবিসির খবরে বলা হয়।

কেনিয়াত্তা পরিবারের মোট সম্পত্তির কোনো নির্ভরযোগ্য হিসাব নেই। কিন্তু পরিবহন, বিমা, হোটেল, কৃষি, ভূমি, গণমাধ্যম শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে তাঁর পরিবারের ব্যবসা বিস্তৃত।

২০১৮ সালে কেনিয়াত্তা বিবিসির হার্ডটক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, তাঁর পরিবারের সম্পদের তথ্য দেশের জনসাধারণের জানা। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি আইন অনুসারে তাঁর সম্পদ ঘোষণা করেছেন।

কেনিয়াত্তা বিবিসিকে আরও বলেছিলেন, তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান, চান স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে।

কিন্তু এখন কেনিয়াত্তা ও তাঁর পরিবারের গোপন সম্পদের গুমর ফাঁস হলো।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন