অবশেষে গতকাল শনিবার ৩৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়ের প্রস্তাব দিয়েছে তারা। গিনির পার্লামেন্টে এখন প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হবে। কর্নেল ডুম্বুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তিনিসহ অন্তর্বর্তী সরকারে অংশগ্রহণকারীদের কেউই সামনে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেবেন না।

গিনিতে অভ্যুত্থানের পর ৮০ সদস্যবিশিষ্ট ন্যাশনাল ট্রানজিশন কাউন্সিল (সিএনটি) গড়ে তোলা হয়। এটিই এখন দেশটির পার্লামেন্ট হিসেবে কার্যক্রম চালাচ্ছে। দেশে পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব সিএনটির। তবে এখন পর্যন্ত সে কাজটি করা যায়নি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে বেশ কয়েকটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা দেখে গেছে। এর কোনোটি সফল হয়েছে আবার কোনোটি ব্যর্থ হয়েছে।

ফেব্রুয়ারিতে গিনি-বিসাউতে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা চালানো হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন নিহত হন। মালিতে দুটি সেনা অভ্যুত্থান হয়েছে। নাইজারে একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন