default-image

গোলযোগপূর্ণ তাইগ্রের ওপর পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সেখানকার ক্ষমতাসীন দলের নেতা–কর্মীদের খোঁজ শুরু করেছে ইথিওপিয়ার পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। ইথিওপিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর গার্ডিয়ানের।

গত শনিবার ইথিওপিয়ার সরকারি বাহিনী তাইগ্রের রাজধানী মেকলে কবজায় নিয়ে নেয়। সেখানে কাজ করেন এমন মানবিক সহায়তা কর্মীরা বলছেন, কোনোরূপ প্রতিরোধ ছাড়াই শহরটি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে হাসপাতালগুলো আহত লোকজন সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

গত সপ্তাহে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ তাইগ্রের বিদ্রোহী বাহিনী তাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের (টিপিএলএফ) সদস্যদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান।

আত্মসমর্পন না করলে কঠিন পরিণতির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী আহমেদ।

মেকলে শহরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বাস। এ শহরে সরকারি বাহিনীর অভিযান শুরু হলে টিপিএলএফের সদস্যরা কোনো প্রতিরোধ না গড়ে তুলে তাঁদের কথিত এই শক্ত ঘাঁটি ছেড়ে চলে যান।

তাইগ্রেতে সরকারি বাহিনীর অভিযান এবং প্রায় প্রতিরোধহীনভাবে এলাকার নিয়ন্ত্রণের ফলে এ সমস্যার আপাত সমাধান হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু টিপিএলএফের নেতা দেব্রেতসন গ্র্যাব্রেমাইকেল লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।

গত শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক খুদে বার্তায় গ্র্যাব্রেমাইকেল বলেন, ‘সরকারি বাহিনীর পাশবিক আচরণ এ আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে যাওয়ার মনোভাবকেই উদ্দীপ্ত করেছে। নিঃসন্দেহে আমাদের আত্মপ্রত্যয়কে সমুন্নত রাখার অধিকার আছে।’

তাইগ্রের রাজধানী মেকলের দখল প্রধানমন্ত্রী আবির ব্যক্তিগত বিজয় হিসেবে দেখা হবে। আর এতে জাতীয় নেতা হিসেবে তাঁর অবস্থান আরও শক্ত হবে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অঞ্চলে এই দীর্ঘস্থায়ী সশস্ত্র লড়াইয়ের আশঙ্কা থেকেই গেছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন