default-image

লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জর্জ উইয়া তৃতীয় মেয়াদে দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবেন না। তাঁর চিফ অব স্টাফ এ কথা বলেছেন।

প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার মেয়াদ কমিয়ে বছরের সংখ্যা ছয় থেকে পাঁচ করার জন্য সংবিধানের প্রস্তাবিত পরিবর্তনের বিষয়ে গণভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটি।

বিরোধীরা বলছেন, সাংবিধান পরিবর্তন করা হলে জর্জ উইয়া অন্যান্য আঞ্চলিক নেতার মতোই তাঁর প্রেসিডেন্টের মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করবেন।

প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ নাথানিয়েল ম্যাকগিল রাজধানী মনরোভিয়াতে সাংবাদিকদের বলেছেন, তৃতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পদে থাকার চিন্তা করছেন না জর্জ উইয়া। তিনি এখনো তাঁর প্রথম মেয়াদই শেষ করতে পারেননি। কোনো এক ব্যক্তির দীর্ঘ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকা ভালো নয়।’

বিজ্ঞাপন

সাবেক ফুটবলার উইয়া ২০১৮ সালে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। উইয়া পিএসজি, এসি মিলান ও চেলসির মতো ইউরোপের সেরা ফুটবল ক্লাবগুলোর হয়ে খেলেছেন। তিনিই একমাত্র আফ্রিকান, যিনি ফিফার ‘ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার’ খেতাবটি জয় করেছেন।

নবাগত হিসেব রাজনীতিতে পদার্পণ করার পর জর্জ উইয়া ২০০৫ সালের রান-অফ ভোটে সারলিফের কাছে পরাজিত হন৷ ২০১১ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রচেষ্টাতেও ব্যর্থ হন উইয়া। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি লাইবেরিয়ার সিনেটের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

আফ্রিকার প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র হলো লাইবেরিয়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যারিবিয়ান থেকে মুক্তি পাওয়া ক্রীতদাসরা ১৮৪৭ সালে দেশটি প্রতিষ্ঠা করেন।

কিন্তু বর্তমান সময়ে যুগে লাইবেরিয়ার ইতিহাস হলো এক রক্তাক্ত ইতিহাস। ১৯৮৯ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে লাইবেরিয়ায় পরপর যে দুটি গৃহযুদ্ধ ঘটে, তাতে আনুমানিক আড়াই লাখ মানুষ প্রাণ হারান।

২০০৫ সালে সারলিফ সরকার ক্ষমতায় আসে এবং দেশটিকে যুদ্ধ ও ধ্বংসের হাত থেকে মুক্ত করে। কিন্তু তিনি দুর্নীতি ও দারিদ্র্যের অন্ত ঘটাতে ব্যর্থ হন বলে সারলিফের সমালোচকদের অভিযোগ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0