বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই পার্লামেন্ট ভবনে প্রথম আগুন লাগে স্থানীয় সময় গত রোববার। এতে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়।

রোববার পার্লামেন্ট ভবনে অগ্নিসংযোগের সন্দেহে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ। তাঁকে কাল মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হবে। তাঁর বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও চুরির অভিযোগ আনা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসি বলছে, পার্লামেন্ট ভবনের মেঝেতে থাকা কার্পেট ও কাঠের কারণে আবারও আগুন জ্বলে ওঠে। অগ্নিকাণ্ডে এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অগ্নিকাণ্ডের পর রোববার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এটিকে একটি ‘ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছেন। এ সময় তিনি পার্লামেন্টের কাজ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

কেপটাউনের ওই পার্লামেন্টে মূলত তিনটি ভাগে একাধিক ভবন রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রথম ও সবচেয়ে পুরোনো একটি ভবন। ভবনটি ১৮৮৪ সালে নির্মিত। দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ভবনের বাকি দুটি অংশের মধ্যে একাংশ গত শতকের ২০ দশকে এবং অপর অংশটি ৮০ দশকে নির্মাণ করা হয়েছিল।

গত বছরের এপ্রিলে ইউনিভার্সিটি অব কেপটাউনের পাঠাগারের একাংশ আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেখানে সংরক্ষিত ছিল আফ্রিকার স্বতন্ত্র অনেক প্রকাশনা।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন