default-image

নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি দেশটির সেনা, নৌ, বিমান ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্টাফ প্রধানকে বরখাস্ত করছেন। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসার পর তিনিই তাঁদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। খবর বিবিসির।

সশস্ত্র ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের বিরুদ্ধে আকস্মিক এমন পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো কারণ উল্লেখ করেননি প্রেসিডেন্ট বুহারি। তবে তাঁদের স্থলাভিষিক্ত কারা হবেন, সে বিষয়ে তিনি টুইট করে এরই মধ্যে জানিয়েছেন।

নাইজেরিয়ায় দেশজুড়ে চলা নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতি, সশস্ত্র সংগঠন বোকো হারামের বিদ্রোহ ও লাগামছাড়া অপহরণের ঘটনার মধ্যে এই পদক্ষেপ নিলেন মুহাম্মাদু বুহারি।

১৯৯৯ সালে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফেরত আসে নাইজেরিয়া। এরপর সশস্ত্র বাহিনীর বিদায়ী প্রধানেরা সবচেয়ে বেশি সময় টানা ৫ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বোকো হারামকে মোকাবিলা করে প্রাথমিকভাবে প্রশংসাও কুড়ান তাঁরা।

আগে থেকেই তিন বাহিনী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্টাফ প্রধানের বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগ উঠছিল। এ অভিযোগে তাঁদের অপসারণ চাইছিলেন নাইজেরিয়ার প্রভাবশালী গভর্নররা। একই দাবি আসছিল আইনপ্রণেতাদের কাছ থেকে।

বিজ্ঞাপন

সেনাবাহিনীর সাবেক জেনারেল মুহাম্মাদু বুহারি নাইজেরিয়ার উত্তর–পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। পরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মিলিশিয়াদের পরাজিত করার দাবি করে তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার। কিন্তু দেশে বোকো হারামের হামলা চলছে। তৎপরতা জোরদার করেছে অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও।

২০১৫ সালে নাইজেরিয়ার এক বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ছিল বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে। প্রায়ই চলছিল আত্মঘাতী হামলা। প্রেসিডেন্ট বুহারি ক্ষমতা গ্রহণের পর সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণ কমে আসে। কমে আসে সহিংসতাও। তবে সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু নিশানা করে বিদ্রোহীদের হামলা অব্যাহত আছে।

বুহারির শাসনামলে নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলে কৃষক ও পশুপালনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষও বেড়েছে। আর উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে লোকজনকে অপহরণে জড়িত গোষ্ঠীগুলোও বাধাহীনভাবে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

১৯৯৯ সালে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফেরত আসে নাইজেরিয়া। এরপর সশস্ত্র বাহিনীর বিদায়ী প্রধানেরা সবচেয়ে বেশি সময় টানা ৫ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বোকো হারামকে মোকাবিলা করে প্রাথমিকভাবে প্রশংসাও কুড়ান তাঁরা।

২০১৫ সালে নাইজেরিয়ার এক বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ছিল বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে। প্রায়ই চলছিল আত্মঘাতী হামলা। প্রেসিডেন্ট বুহারি ক্ষমতা গ্রহণের পর সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণ কমে আসে। কমে আসে সহিংসতাও। তবে সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু নিশানা করে বিদ্রোহীদের হামলা অব্যাহত আছে।

এই পরিস্থিতিতে নাটকীয়ভাবে দেশে বিভিন্ন অপরাধী গোষ্ঠীর উত্থান হলে সমালোচনার মুখে পড়েন নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানেরা। গত ডিসেম্বরে একটি বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। পরে অপহরণকারীদের সঙ্গে সরকারের সমঝোতার মাধ্যমে ছাড়া পায় তারা।

বিজ্ঞাপন
আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন