বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন। একজন খননকারীও সেখানে রয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ ও বেঁকে যাওয়া রডের ভেতরে তল্লাশি চালাচ্ছেন তাঁরা।

এরই মধ্যে ভবনধসের ঘটনায় তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ–সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদন জনগণের জন্য প্রকাশ করারও অঙ্গীকার করেছেন তাঁরা।

প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারির বিশেষ উপদেষ্টা ফেমি আদেসিনা বলেছেন, এ ঘটনায় প্রিয় মানুষদের হারানো পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। উদ্ধার প্রচেষ্টা জোরালো করতে কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।

৪১ বছর বয়সী নির্মাণশ্রমিক এরিক টেট্টেহ ওই ভবনধসের ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেছেন। তিনি জানান, ভবনটি হঠাৎ ধসে পড়ার পর ঘটনাস্থলে খননযন্ত্র পৌঁছানোর অপেক্ষায় ছিলেন তিনি ও তাঁর দলের অন্য সদস্যরা। তিনি বলেন, ‘আমি আর আমার ভাই সেখান থেকে বের হতে পেরেছি। তবে সেখানে আরও অনেকে ছিলেন। শতাধিক মানুষ ছিলেন সেখানে।’

ঘটনাস্থলের উল্টো দিকে একটি অফিস ভবনে কাজ করছিলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। বিবিসির আউটসাইড সোর্স প্রোগ্রামকে তিনি জানান, শব্দ শুনতে পেয়ে জানালা দিয়ে বাইরে তাকান তিনি। তখন দেখতে পান, আক্ষরিক অর্থে ভবনের একের পর এক তলা নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে। লাগোসের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জরুরি উদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

একটি মার্কিন বার্তা সংস্থাকে উদ্ধৃত করে বিবিসি জানায়, লাগোসের উপগভর্নর ফেমি হামজাত এরই মধ্যে ক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উদ্ধার তৎপরতা শুরু করতে দেরি করেছে।

গত কয়েক বছরে লাগোসে বেশ কয়েকটি ভবনধসের ঘটনা ঘটেছে। ২০১৯ সালে একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রে একটি স্কুল ধসে পড়ে ১০ জন নিহত হয়। ২০১৪ সালে ৬ তলাবিশিষ্ট ভবনধসের ঘটনায় নিহত হয় ১১৬ জন।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন