বিজ্ঞাপন

ভারতের এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘একজন আরেকজনকে খাওয়াতে পারে’। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালন করে থাকে। এর মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা, গণহত্যা ও অপরাধের বিরুদ্ধে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা হয়।

দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ন্যায়বিচার, সমতা প্রতিষ্ঠা ও মানবাধিকার রক্ষায় ভূমিকা রাখা বিশ্বনেতাকে অনুসরণের দারুণ একটা সুযোগ দিবসটি। সম্প্রীতির পক্ষে ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে তাঁর সোচ্চার পদক্ষেপ আজও প্রাসঙ্গিক। বর্তমান বিশ্বে সামাজিক সম্প্রীতি হুমকির মুখে। সমাজগুলো ধীরে ধীরে মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। সত্যকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে, যার ফলে ঘৃণা ছড়ানো বক্তব্য বা হেট স্পিচের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে বিজ্ঞান ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে পড়েছে।

বিশ্বশান্তির রোল মডেল নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মবার্ষিকী এমন সময় উদ্‌যাপিত হচ্ছে, যখন তাঁর জন্মভূমিতে সহিংসতায় রক্ত ঝরছে। এমন প্রেক্ষাপটে নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশন তাদের ব্লগ পোস্টে লিখেছে, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিশ্বের দেশগুলো দুই ধরনের ভয়াবহ প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একটি হলো অনিরাপদ খাদ্যব্যবস্থা, অন্যটি হলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি।

পোস্টে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ মহামারির আগে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতি চারটি শিশুর মধ্যে একটি শিশু অপুষ্টির কারণে খর্বাকৃতির শিকার হয়। করোনাভাইরাসের কারণে এ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ কারণেই ‘একজন আরেকজনকে খাওয়াতে পারে’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন