সাজা ঘোষণার আগে গত মঙ্গলবার থেকে সোলাইমান রাইসুনি ও তাঁর আইনজীবীকে আদালতে উপস্থিতির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। বিচারকার্য সুষ্ঠু করতেই এ নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানান আদালত। তবে এমন নির্দেশনাকে অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন তাঁর আইনজীবী সৌদ রাহমা। তিনি বলেন, বিবাদীর অনুপস্থিতিতে সুষ্ঠু বিচার কখনোই হতে পারে না। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।

এদিকে দীর্ঘদিন অনশনের ফলে সোলাইমান রাইসুনি শরীর ভেঙে পড়েছে এবং তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যরা। তবে তিনি সুস্থ আছেন বলে দাবি করেছেন সরকারি কৌঁসুলিরা।

শুক্রবারই ওমর রাদি নামের অপর এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি ও যৌন নির্যাতনের আরেক মামলায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁকেও গত বছরের জুলাই থেকে আটক করে রাখা হয়েছে।

মরক্কো সরকার তার রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের মামলার মাধ্যমে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। সাংবাদিক রাইসুনি ও রাদি দেশটির সরকারের প্রণীত বিভিন্ন আইন এবং বিচারব্যবস্থা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তীব্র সমালোচনা করে আসছিলেন। তবে মরক্কোর বিচারব্যবস্থাকে পুরোপুরি স্বাধীন বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার।