বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে এটিকে ‘ঘৃণ্য হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। একই সঙ্গে এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মালির শান্তিরক্ষী বাহিনীর প্রধান আল গাসিম ওয়েন এক বিবৃতিতে এটিকে ‘কাপুরুষোচিত’ হামলা বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, ইতিমধ্যে মালিতে জাতিসংঘের মিশনে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বুধবারের হামলার ঘটনা ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে গত সোমবার রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা হামলায় চিকিৎসাধীন শান্তিরক্ষী বাহিনীর এক সেনা নিহত হয়েছেন। ২২ নভেম্বর মালির উত্তরাঞ্চলীয় তেসালা শহরে বিস্ফোরণে ওই সেনাসদস্য গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক হওয়ায় পার্শ্ববর্তী দেশ সেনেগালের রাজধানী ডাকারে ওই সেনাসহ আরও দুই সেনাকে স্থানান্তর করা হয়।

২০১২ সাল থেকে জিহাদি আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে মালি। ২০১৫ সালে পার্শ্ববর্তী দেশ নাইজার ও বুরকিনা ফাসোতেও ছড়িয়ে পড়ে তাদের আন্দোলন।

বিশৃঙ্খলার কারণে আফ্রিকান অঞ্চলটিতে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ২০ লাখ মানুষ। এ ধরনের হামলার পেছনে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আল-কায়েদার সমর্থিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। অপর দিকে তথাকথিত শৃঙ্খলা ফেরানোর নামে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর হাতেও অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

জাতিসংঘের ওয়েসবাইটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে মালিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে দেশটিতে সাড়ে ১৬ হাজার শান্তিরক্ষী কাজ করছেন। সংস্থাটির দাবি, বিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশ প্রাণহানির মুখোমুখি হয়েছে মালির শান্তিরক্ষা মিশন। গত ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশটিতে শান্তিরক্ষী বাহিনীর ১৪৬ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন মালিতে।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন