বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, মালিতে গত বছরের আগস্টে এক সামরিক অভ্যুত্থানের পর বেসামরিক শাসনব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছিলেন প্রেসিডেন্ট এনদাও ও প্রধানমন্ত্রী উয়ানে। সেই সামরিক অভ্যুত্থানের নেতা ছিলেন কর্নেল আসিমি গোইতা। এক বছরের কম সময়ের মধ্যে আবার সামরিক অভ্যুত্থান ঘটল পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিতে।

সোমবারের সামরিক অভ্যুত্থানের কয়েক ঘণ্টা আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের মন্ত্রিসভায় এক রদবদল হয়। গোইতার অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো সলাপরামর্শ করা হয়নি। এই রদবদলে দুই সেনা কর্মকর্তা চাকরি হারিয়েছিলেন।

গোইতা বলেন, প্রেসিডেন্ট বাহ এনদাও ও প্রধানমন্ত্রী মোখতার উয়ানে তাঁদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরকে বানচালের চেষ্টা করেছেন।

প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকে আটকের ঘটনায় জাতিসংঘ, দ্য আফ্রিকান ইউনিয়ন, দ্য ইকোনমি কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেট (ইকোওয়াস), ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক নিন্দা ও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে মালি।

default-image

ইকোওয়াসের মধ্যস্থতাকারীরা রাজধানী বামাকো থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে এক সামরিক ঘাঁটিতে আটক অবস্থায় থাকা এনদাও ও উয়ানের সঙ্গে দেখা করেন। নাইজেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট গুডলাক জোনাথানের নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধিদলের এক সদস্য বলেন, যদি সংকট নিরসন না হয়, ইকোওয়াস অনতিলম্বে মালির ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিতে পারে।

গত বছর পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক গোষ্ঠী ইকোওয়াস জানিয়ে দিয়েছিল যে প্রেসিডেন্ট যদি বেসামরিক ব্যক্তি না হোন, তবে মালির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে না। এরপরই অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন বাহ এনদাউ।
তখন বলা হয়েছিল, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগপর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে থাকবেন ৭০ বছর বয়সী বাহ এনদাউ। আর কর্নেল গোইতা ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

বিবিসি বলছে, নিষেধাজ্ঞার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই বাহ এনদাউয়ের মতো বেসামরিক নেতাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এখন গোইতা দেশটির লোকজনকে আগের মতোই তাঁদের ব্যবসাবাণিজ্য চালিয়ে যেতে বলেছেন এবং সেনাবাহিনী তাদের অঙ্গীকারের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন