বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এ প্রসঙ্গে ইথিওপিয়ার যোগাযোগবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কেবেদে ডেসিসা বলেন, ইথিওপিয়া সম্পর্কে মানহানি ও লজ্জাজনক মিথ্যা তথ্য ছাড়ানো বন্ধ করা উচিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের।

ইথিওপিয়ার তাইগ্রে অঞ্চলে দেশটির সরকারি বাহিনী ও তাইগ্রে বিদ্রোহীদের মধ্যে লড়াই চলছে। এই সম্মুখ লড়াইয়ে যোগ দিয়েছেন ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। এক বছরের বেশি সময় ধরে এ লড়াই চলছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। চলমান এ লড়াইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল আয়ারল্যান্ড। এরপর দেশটির ছয় কূটনীতিকের চারজনকে বহিষ্কার করেছে ইথিওপিয়া। এ ছাড়া চলমান যুদ্ধ সম্পর্কে অসত্য তথ্য প্রচার করায় পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনাও করেছে ইথিওপিয়া।

ইথিওপিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় চলতি মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিলেন হাজারো ইথিওপীয় নাগরিক। এরপর গতকাল বৃহস্পতিবারও বেশ কয়েকজন মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেন। তাঁদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল, ‘হস্তক্ষেপ অগণতান্ত্রিক’ এবং ‘সত্যের জয়’।

এ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মকর্তা বলেন, সেখানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের ফ্লাইট ব্যবহার করে মার্কিনদের ইথিওপিয়া ছাড়তে আহ্বান জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া যুক্তরাজ্যের দূতাবাসের সামনেও বিক্ষোভ করেছেন ইথিওপীয়রা। তবে এ নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের কোনো মন্তব্য জানা যায়নি। ব্রিটিশ সরকারও নিজেদের নাগরিকদের শিগগিরই ইথিওপিয়া ছাড়তে আহ্বান জানিয়েছে।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন