বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শিশুটির জন্ম হয়েছে গত ৫ ডিসেম্বর। কিন্তু ওই নারী চিকিৎসক কানাডায় কোভিড-১৯ রোগীদের যেমন চিকিৎসা দিতে ব্যস্ত ছিলেন, তেমনি উগান্ডায় গিয়ে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের ট্রেনিং দিতেও ব্যস্ত ছিলেন। ফলে চলতি সপ্তাহে ওই নবজাতকের ছবিগুলো প্রকাশ করেন তিনি। এরপরই বিষয়টি নিয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা হয় তাঁর।

৫ ডিসেম্বর কানাডার ওই চিকিৎসক যখন উগান্ডা যাচ্ছিলেন, তখন তিনি বেশ ক্লান্ত। ফলে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু যখন তিনি শুনতে পান, ইন্টারকমে বলা হচ্ছে, ফ্লাইটে কোনো চিকিৎসক আছেন কি না। তিনি বলেন, এমন ডাক শুনে আর সিটে বসে থাকতে পারেননি তিনি। সিট থেকে উঠে যান। ওই অন্তঃসত্ত্বার কাছে গিয়ে দেখেন সবাই তাঁকে ঘিরে রেখেছেন। কিন্তু অন্তঃসত্ত্বার পরিস্থিতি তখন জটিল হচ্ছিল। তিনি বলেন, তিনি আরও কাছে গিয়ে দেখেন ওই নারী সিটে শুয়ে আছেন। আর নবজাতকটি তাঁর গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসছে।

এই সময় কানাডার ওই চিকিৎসককে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন আরও দুজন। তাঁদের একজন অনকোলজির নার্স ও আরেকজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। এই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ আবার বেসরকারি সাহায্য সংস্থা ডক্টর উইদাউট বর্ডারসের (এমএসএফ)।

কানাডার ওই চিকিৎসক বলেন, নবজাতকটি বেশ কাঁদছিল। তিনি নিজে পরীক্ষা করার পর ওই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নবজাতককে আরেকবার পরীক্ষা করেন। এই নবজাতকটি মেয়ে। নাম রাখা হয়েছে মিরাকল আয়েশা। এই নাম মূলত কানাডার ওই চিকিৎসক আয়েশা খতিবের নামানুসারে রাখা হয়েছে।

আফ্রিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন